- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুন ১৩, ২০২৪
লস্কর জঙ্গি আরিফের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ
রাষ্ট্রপতির কাছে প্রানভিক্ষার আর্জি জানিয়েও পাকিস্তানি জঙ্গি মহম্মদ আরিফ ওরফে আসফাকের কোনও লাভ হল না । আর্জি সটান নাকচ করে দিলেন দ্রৌপদী মুর্মু । ফলে তাঁর ফাসির সাজা কার্যকর হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।
২০০০ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লির লাল কেল্লায় হামলায় পাকিস্তানি জঙ্গি মহম্মদ আরিফ ওরফে আশফাক জড়িত ছিলেন । চব্বিশ বছর আগে ঘটা ওই ঘটনায় রাজপুতানা রাইফেলসের ২ জওয়ান শহীদ হয়েছিলেন। নিহত হয়েছিলেন এক সাধারণ নাগরিকও। ঘটনার চারদিন পর পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। ২০০৫ সালে নিম্ন আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়। উচ্চ আদালত থেকে সুপ্রিম কোর্ট সবাই একই রায় বহাল রাখে। আরিফের কাছে শেষ সুযোগ ছিল রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার। তবে গতকাল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তা খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে আরিফের প্রাণদণ্ডের হুকুম বহাল রইল। ২০২২ সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা রিভিউ পিটিশনও বিচারপতি ইউইউ ললিত ও বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর বেঞ্চ খারিজ করে দেয়। তাঁরা দাবি করেন আরিফের সরাসরি ওই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। সুপ্রিম কোর্ট উল্লেখ করেছিল, ‘লালকেল্লা আক্রমণ ভারতের একতা, অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে হুমকি। তাই এই অপরাধের সাজা একমাত্র মৃত্যুদণ্ডই।’এর আগে ২০২২ সালের ২৫মে রাষ্ট্রপতির কাছে
প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছিলেন আরিফ। সেবারও আবেদন মঞ্জুর করেননি দ্রৌপদী মুর্মু । এই নিয়ে দ্বিতীয়বার তিনি আরিফের আবেদন খারিজ করলেন।২০০০ সালে দিল্লির লাল্ কেল্লায় রাজপুতানা রাইফেলসের ৭ নম্বর ব্যাটেলিয়নের শিবিরে হামলা চালায় লস্কর ই তইবার চার জঙ্গি। তিন সেনাসহ মারা যান একজন সাধারণ নাগরিকও। রক্ষীদের গুলিতে আবু শাদ, আবু বিলাল ও আবু হায়দার নামে তিন জঙ্গি মারা যায়। ফেরার হন আরিফ। পুলিশ চারদিন পর তাঁকে গ্রেফতার করে। তাঁর সঙ্গে পাকিস্তানি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর ই তইবার যোগ মেলে। পুলিশ জানিয়েছে, ১৯৯৯ সাল থেকেই এই হামলার নীল নকশা তৈরি করেন আরিফ ও তাঁর তিন সঙ্গী। তাঁরা কাশ্মীরে লুকিয়ে ছিলেন।
❤ Support Us






