- দে । শ
- অক্টোবর ১০, ২০২৫
নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নদীর পাড় মেরামতির অভিযোগ, সরকারি আধিকারিকদের সামনে বিক্ষোভ
নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে বাঁধানো হয়েছে নদীর পাড়। তৈরি হয়েছে রাস্তা। এর ফলে নবনির্মিত নদীর পাড় ও রাস্তায় ভাঙন শুরু হয়েছে। ধস নেমেছে। এই অভিযোগ তুলে সরকারি আধিকারিকদের ঘিরে ধরে ক্ষোভ-বিক্ষোভ দেখালেন কাটোয়ার মালঞ্চ গ্রামের বাসিন্দারা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। আধিকারিকরা অবিলম্বে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
কাটোয়া ২নং ব্লকের সিঙ্গি পঞ্চায়েতের মালঞ্চ গ্রামের পশ্চিমপাড়ার পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে ব্রহ্মাণী নদী। সেই নদীর পাড় বরাবর রয়েছে মানুষ চলাচলের একটি রাস্তা। বর্ষায় নদীর পাড়ে ভাঙন দেখা দেয়। ধস নামে প্রায় ৪০ ফুট দীর্ঘ পাড়ে। পাড় লাগোয়া রাস্তাটি ভাঙতে-ভাঙতে এতটাই সংকীর্ণ হয়ে পড়ে যে, ছাত্রছাত্রী থেকে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষজনের চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। শোভন রায়, বিজন ঘোষ প্রমুখ গ্রামবাসীর দাবি মেনে সেচ দপ্তর ৪০ মিটার রাস্তা মেরামত ও পাড় বাঁধানোর জন্য ৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করে। শুরু হয় কাজ। দুর্গাপুজোর আগেই সেই কাজ সম্পন্ন হয়। কয়েকদিন আগে নবনির্মিত ওই পাড় ও রাস্তায় ভাঙন ও ধস নামায় এলাকার মানুষজন ক্ষোভে ফুঁসতে থাকেন। খবর পেয়ে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়র সুশীল চট্টোপাধ্যায় ও অ্যাসিন্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়র তারকনাথ মিশ্র ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে তাদের সামনেই গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে দায়সারা কাজ করায় নতুন করে নদীপাড় ও রাস্তায় ভাঙন শুরু হয়েছে। পাড় বাধানোয় বালির বস্তার পরিবর্তে মাটির বস্তা দেওয়া হয়েছে। ইট ভাঙা দিয়ে রাস্তা মেরামতি করা হয়েছে। অবশ্য সরকারি আধিকারিদের ধারণা, গ্রামের নিকাশি নালার জল রাস্তার তলা দিয়ে যাওয়ার কারণে এই ভাঙন। স্থানীয় পঞ্চায়েতের উদ্যোগে তৈরি হওয়া এই নালা তৈরি হওয়ার পরেপরেই বর্ষা শুরু হওয়ায় এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর আধিকারিকরা ৩০০ মিটার পাড় বাঁধানোর জন্য নতুন করে একটি প্রকল্প উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠিয়েছে।
❤ Support Us





