Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুলাই ৪, ২০২৪

সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক রক্ষাকবচের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ঘোষণা রাজভবনের ‘নির্যাতিতার’

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক রক্ষাকবচের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ঘোষণা রাজভবনের ‘নির্যাতিতার’

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টে গড়িয়েছে। রাজভবনের অজ্ঞাতনামা চুক্তিভিত্তিক মহিলা কর্মী সংবিধানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে লড়াই শুরু কর দিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। সংবিধানের ৩৬১ ধারা ও রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালকে দেওয়া সাংবিধানিক রক্ষাকবচের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পুনর্বিবেচনা করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
সংবিধানের ৩৬১ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কোনও আদালতে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা বা চালিয়ে যাওয়া যায় না। দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে, রাজ্যপালকে লিখিত নোটিশ দেওয়ার দু মাস পরে শুনানি শুরু করার নিয়ম। সেক্ষেত্রে সংবিধানের বিধানকেই চ্যালেঞ্জ করে পিটিশন দায়ের করলেন ওই কর্মী।সংবিধান অনুসারে রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতিরা আজীবন রক্ষাকবচ পান না। যতদিন পদে আছেন ততদিনই তিনি তা পাবেন। মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে তদন্ত শুরু হতে পারে। দোষী প্রমাণিত হলে শাস্তি হতে পারে।

ওই মহিলা দাবি করেন, যতদিন রাজ্যপাল পদে আনন্দ বোস থাকবেন, ততদিন বিচারের জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকবেনা তাঁর কাছে। ৩৬১ ধারা নিয়ে তিনি বলেন, রাজ্যপাল যদি কোনও অপরাধ করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি কোনও রক্ষাকবচ দাবি কোর্টে পারেননা।এ রক্ষাকবচ মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী ও অযৌক্তিক।পিটিশনে মহিলা সংবিধানের ৩৬১ অনুচ্ছেদের অধীনে প্রদত্ত ছাড় সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করার দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া পুলিশকে যথাযথ তদন্ত করার পাশাপাশি তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে নিরাপত্তা দানের আবেদনও জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যপালের বক্তব্য রেকর্ড করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। ক্ষতিপূরণের দাবিও করেছেন তিনি।
রাজভবনে ডেকে চাকরি দেওয়ার অজুহাতে যৌন হেনস্থার অভিযোগে বিদ্ধ রাজ্যপাল পশ্চিমবঙ্গের পুলিশকে সহযোগিতা না করার ঘোষণা জানিয়েছিলেন আগেই। পুলিসের প্রবেশও নিষেধ করা হয়েছে। পুলিশে অভিযোগ দায়েরের পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ডেপুটি কমিশনার (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তদন্ত করছে এই আট সদস্যের কমিটি।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!