- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- মার্চ ১১, ২০২৩
রাখীগড়ির অজানা ইতিহাস পুনরুদ্ধারে আবার খনন। মিলতে পারে অজানা অনেক সূত্র, অনুমান প্রত্নতাত্ত্বিকদের
চিত্র: সংগৃহীত
হরিয়ানার হিসারে অবস্থিত রাখীগড়ি প্রাচীন হরপ্পা সভ্যতার অন্যতম এক প্রত্নকেন্দ্র। পূর্বে এখানে একাধিকবার খননকার্য চালানো হয়েছে। মিলেছে এমন অনেক প্রত্নবস্তু যা ভারতের প্রায় ঐতিহাসিক যুগকে নতুন চিন্তা-ভাবনার আলোকে বিচার করতে উৎসাহিত করেছে। অধ্যাপক ও গবেষকদের আগ্রহ ও উৎসাহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে রাখীগড়ির প্রত্নস্থল থেকে পাওয়া একাধিক প্রত্নসামগ্রী। যা ভারতীয় সভ্যতার ইতিহসকে পুনর্লিখনের সহায়ক হয়ে উঠবে।
সম্প্রতি, আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইণ্ডিয়ার নেতৃত্বে রাখীগড়িতে আবার খনন কার্য শুরু হয়েছে। এ নিয়ে ন’বার। কেন বার বার রাখীগড়ি প্রত্নতাত্ত্বিকদের অনুসন্ধানের কেন্দ্রে উঠে আসছে সে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। কারণ, প্রাক-হরপ্পা, পরিণত হরপ্পা এবং উত্তর হরপ্পা– এই তিন পর্যায়ের বৈশিষ্ট্য এখানে দেখা যায়। দ্বিতীয়ত, এখানে এখনও পর্যন্ত এখানকার সমাধিক্ষেত্রেগুলোতে আবিষ্কৃত পুরুষ নারী মিলিয়ে কঙ্কালের সংখ্যা ১৭। যার মধ্যে ১১ জনকে পূর্ণাঙ্গ রূপে পাওয়া গেছে। প্রত্যেকটি সমাধিক্ষেত্রে দেখা গেছে নারী পুরুষকে একে অপরের দিকে মুখোমুখি অবস্থায় রয়েছে। যা দেখে অনেক ঐতিহাসিক অনুমান করছেন, সতীদাহের প্রচলন সে সময় থাকলেও থাকতে পারে।
রাখীগড়ির অন্তর্গত রাখিদাসপুর গ্রাম অঞ্চলে রাখীগড়ির সাতটি স্তরের প্রতন এলাকা আবিষ্কৃত হয়েছে । এর মধ্যে আরজিআর-১ স্তরভুক্ত এলাকায় পাথর কাটা এবং অলংকরণের কাজ হত বলে বোঝা যাচ্ছে। আরজিআর-৭ এ পাওয়া গেছে সমাধি ক্ষেত্র। যা দেখে প্রত্নতত্ত্ববিভাগের অধিকর্তা সঞ্জয় মঞ্জুলের ধারণা, পূর্বে এটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন এলাকা রূপে ব্যবহৃত হত কিন্তু পরে তা সমাধি ক্ষেত্র রূপে ব্যবহৃত হতে শুরু করেছে। কিন্তু কেন এ পরিবর্তন তাঁর নিশ্চিত কোনো উত্তর নেই। রাখীগড়ি অনুসন্ধানের পিছনে রয়েছে এমনই কতগুলো মিসিং লিংকে অনুসন্ধানের প্রচেষ্টা । যা খুঁজে পাওয়া গেলে হরপ্পার অজানা এক ইতিহাস হয়তো সামনে আসবে।
❤ Support Us








