Advertisement
  • এই মুহূর্তে মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • নভেম্বর ৮, ২০২৪

দুরন্ত হ্যারিসের ৫ উইকেট, বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে একদিনের সিরিজে সমতা ফেরাল পাকিস্তান

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
দুরন্ত হ্যারিসের ৫ উইকেট, বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে একদিনের সিরিজে সমতা ফেরাল পাকিস্তান

প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত লড়াই করেও জয় আসেনি। অ্যাডিলেড ওভালে অন্য ছবি। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে রীতিমতো উড়িয়ে একদিনের সিরিজে সমতা ফেরাল পাকিস্তান। ১৪১ বল বাকি থাকতেই ৯ উইকেটে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে জয় পাকিস্তানের। দুর্দান্ত বোলিং করে পাকিস্তানের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন হ্যারিস রউফ। আর ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন দুই ওপেনার সাইম আয়ুব আবদুল্লাহ শফিক। পাকিস্তানের এই দুই ওপেনারই অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন।
অ্যাডিলেড ওভালে টস জিতে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় পাকিস্তান। শুরুতেই ঝড় তুলেছিলেন ম্যাথু শর্ট ও জেক ফ্রেজার–ম্যাকগার্ক। ২ ওভারেই ওঠে ২১। এরপরই দক্ষিণ আফ্রিকাকে ধাক্কা দেন শাহিন আফ্রিদি। তুলে নেন ম্যাকগার্ককে (‌১০ বলে ১৩)‌। অন্য ওপেনার ম্যাথু শর্টকেও (‌১৫ বলে ১৯)‌ ফেরান তিনি। স্টিভ স্মিথ ও জশ ইংলিস একটা জুটি গড়ার চেষ্টা করছিলেন।
এরপরই ভেলকি শুরু হ্যারিস রউফের। অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডারে তিনিই ধস নামান। প্রথমে ফেরান জশ ইংলিশকে (‌২৫ বলে ১৮)‌। এরপর তুলে নেন মার্নাস লাবুশেনকে (‌৬)‌। হ্যারিসের বাকি শিকারের তালিকায় অ্যারন হার্ডি (‌২৯ বলে ১৪)‌, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (‌২১ বলে ১৬)‌ ও প্যাট কামিন্স (‌১৭ বলে ১৩)‌। অন্যদিকে, স্টিভ স্মিথকে (‌৩৫)‌ ফেরান হাসনাইন। অ্যাডাম জাম্পাকে (‌২১ বলে ১৮)‌ তুলে নেন শাহিন আফ্রিদি। মাত্র ৩৫ ওভারে ১৬৩ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। দুরন্ত বোলিং করে ২৯ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন হ্যারিস রউফ। ২৬ রানে ৩ উইকেট শাহিন আফ্রিদির। উইকেটের পেছনে ৬ ক্যাচ নিয়ে এক ম্যাচে উইকেটকিপারদের সর্বোচ্চ ক্যাচের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক মহম্মদ রিজওয়ান।
আগের ম্যাচে পাকিস্তানকে ২০৩ রানে গুটিয়ে দিয়েছিলেন প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্করা। অস্টেলিয়া ভেবেছিল এদিনও হয়তো ১৬৩ রানের পুঁজি নিয়েও লড়াই করা যাবে। কিন্তু আবদুল্লাহ শফিক ও সাইম আয়ুবের ওপেনিং জুটিই অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়। শুরুতে দুজন সতর্ক থাকলেও পরে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। পাকিস্তানের রানের গতি বাড়ানোর কাজটি করেন আয়ুব। ১১তম ওভারে প্যাট কামিন্সকে ছক্কা হাঁকান। মিচেল স্টার্কের পরের ওভারে একটা ছক্কা ও দুটি চার মারেন। অ্যারন হার্ডি ও জাম্পাকে আয়ুবের হাতে ছক্কা হজম করতে হয়েছে। দুজনের বলেই দুটি করে ছয় মেরেছেন আয়ুব।
আয়ুবের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সুবাদে ১৬ ওভারেই ১০০ রানে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পাকিস্তানের যে কোনো উইকেটে এটা দ্বিতীয় সেঞ্চুরির জুটি। এর আগে ১৯৮৪–৮৫ মরশুমে মহসিন খান–মুদাসসর নজর জুটি সেঞ্চুরি করেছিল। সেঞ্চুরির দিক এগোচ্ছিলেন আয়ুব। জাম্পাকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে হ্যাজলউডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৭১ বলে ৮২ রানের ইনিংসে রয়েছে ৬টি ছক্কা ও ৫টি চার। ১৩৭ রানে ওপেনিং জুটি ভাঙার পর পাকিস্তানের জয় ছিল সময়ের ব্যাপার। শফিকের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয় এনে দেন বাবর আজম। ২৬.৩ ওভারে ১৬৯/১ রান তুলে সিরিজে সমতা ফেরায় পাকিস্তান। ৬৯ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন শফিক ৬৪। ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন বাবর আজম।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!