- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- জুলাই ২, ২০২৬
‘তৃণমূল আমরাই’, জ্ঞানেশের কাছে দাবি ঋতব্রতদের, তবে কি দলের তহবিল হারাবেন মমতা ?
দলের নাম, প্রতীক বা সংগঠনের বৈধতা নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই— এই দাবি নিয়েই বৃহস্পতিবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, “অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস আমরাই। দলের নাম বা প্রতীক নিয়ে কোনও দাবিদাওয়া জানানোর প্রশ্নই নেই। দলের দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। প্রাক্তন মন্ত্রীরা, কাউন্সিলররা এবং জেলা পরিষদের সদস্যরাও আমাদের পাশে আছেন।”
নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করে ইতিমধ্যেই দলীয় নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার উদ্যোগ শুরু করেছে ঋতব্রত শিবির। কয়েকদিন আগেই কলকাতার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতরে গিয়ে তাঁদের গঠিত জাতীয় কর্মসমিতির সদস্যরা ২২ জুন অনুষ্ঠিত তথাকথিত ‘বিশেষ ডেলিগেটদের অধিবেশন’-এর নথি জমা দেন।
বৃহস্পতিবার সেই প্রক্রিয়ারই পরবর্তী ধাপে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঋতব্রতদের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন ৯ জন বিধায়ক এবং ১ জন প্রাক্তন মন্ত্রী। কমিশনের তিন সদস্যের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে কয়েক মিনিটের বৈঠক শেষে ঋতব্রত জানান, “২২ জুনের বিশেষ অধিবেশনে অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন এবং আখরুজ্জামানকে কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত করা হয়েছে। পরদিনই সেই সিদ্ধান্তের কথা নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছিল। আজ কমিশন অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসকে সময় দিয়েছিল। আমরা আমাদের বক্তব্য কমিশনের সামনে তুলে ধরেছি।”
তবে ঋতব্রতদের বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। একদিকে তাঁরা দাবি করছেন, দলের নাম, প্রতীক বা বৈধতা নিয়ে কোনও বিরোধ নেই এবং তাঁরাই প্রকৃত অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে তাঁরা জানান, কমিশন তাঁদের দাবিদাওয়া খতিয়ে দেখে দ্রুত যোগাযোগ করবে।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, যদি কোনও দাবি বা বিরোধ না-ই থাকে, তাহলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার প্রয়োজন কেন হল? বৈঠকে কমিশনের কাছে ঠিক কী দাবি জানানো হয়েছে, সে বিষয়ে ঋতব্রত স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি। তাঁর বক্তব্য, “কমিশন আমাদের বক্তব্য শুনেছে এবং জানিয়েছে, আমাদের দাবিদাওয়া দ্রুত খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে যোগাযোগ করবে।”
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ঋতব্রত শিবিরের মূল লক্ষ্য দলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দলীয় প্রতীক ও তহবিলের ওপর অধিকার দাবি করা। বিশেষ করে তাঁদের নির্বাচিত কোষাধ্যক্ষ আখরুজ্জামানের হাতে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ তুলে দেওয়ার বিষয়টিই কমিশনের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি হিসেবে উত্থাপিত হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে বৈঠক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি, ঋতব্রত শিবিরের দাবি, কমিশন তাঁদের উপস্থাপিত নথি ও দাবিগুলি খতিয়ে দেখে দ্রুত পরবর্তী সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানাবে।
নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করে ইতিমধ্যেই দলীয় নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার উদ্যোগ শুরু করেছে ঋতব্রত শিবির। কয়েকদিন আগেই কলকাতার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতরে গিয়ে তাঁদের গঠিত জাতীয় কর্মসমিতির সদস্যরা ২২ জুন অনুষ্ঠিত তথাকথিত ‘বিশেষ ডেলিগেটদের অধিবেশন’-এর নথি জমা দেন।
বৃহস্পতিবার সেই প্রক্রিয়ারই পরবর্তী ধাপে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঋতব্রতদের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন ৯ জন বিধায়ক এবং ১ জন প্রাক্তন মন্ত্রী। কমিশনের তিন সদস্যের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে কয়েক মিনিটের বৈঠক শেষে ঋতব্রত জানান, “২২ জুনের বিশেষ অধিবেশনে অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন এবং আখরুজ্জামানকে কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত করা হয়েছে। পরদিনই সেই সিদ্ধান্তের কথা নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছিল। আজ কমিশন অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসকে সময় দিয়েছিল। আমরা আমাদের বক্তব্য কমিশনের সামনে তুলে ধরেছি।”
তবে ঋতব্রতদের বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। একদিকে তাঁরা দাবি করছেন, দলের নাম, প্রতীক বা বৈধতা নিয়ে কোনও বিরোধ নেই এবং তাঁরাই প্রকৃত অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে তাঁরা জানান, কমিশন তাঁদের দাবিদাওয়া খতিয়ে দেখে দ্রুত যোগাযোগ করবে।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, যদি কোনও দাবি বা বিরোধ না-ই থাকে, তাহলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার প্রয়োজন কেন হল? বৈঠকে কমিশনের কাছে ঠিক কী দাবি জানানো হয়েছে, সে বিষয়ে ঋতব্রত স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি। তাঁর বক্তব্য, “কমিশন আমাদের বক্তব্য শুনেছে এবং জানিয়েছে, আমাদের দাবিদাওয়া দ্রুত খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে যোগাযোগ করবে।”
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ঋতব্রত শিবিরের মূল লক্ষ্য দলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দলীয় প্রতীক ও তহবিলের ওপর অধিকার দাবি করা। বিশেষ করে তাঁদের নির্বাচিত কোষাধ্যক্ষ আখরুজ্জামানের হাতে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ তুলে দেওয়ার বিষয়টিই কমিশনের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি হিসেবে উত্থাপিত হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে বৈঠক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি, ঋতব্রত শিবিরের দাবি, কমিশন তাঁদের উপস্থাপিত নথি ও দাবিগুলি খতিয়ে দেখে দ্রুত পরবর্তী সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানাবে।
❤ Support Us







