- দে । শ
- জানুয়ারি ১৩, ২০২৩
রুশ ইউক্রেন যুদ্ধের রক্তাক্ত আয়তন বাড়ছে।সলেডার বৃহত্তম লবণ খনি মস্কোর দখলে
আসন্ন বসন্তে ফুল নয়, গাঢ় গাঢ় রক্ত ফুটবে, বিবিসিকে বললেন জেলেনেস্কির প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অলেক্সি রেজনিকোভ বিবিসি কে বলেছেন কার্যত আমরা ন্যাটোরই সদস্য। ইউক্রেন আশা করে, রুশ বিরোধী যুদ্ধে ন্যাটো দেশগুলির অস্ত্র সাহায্য আরও বাড়বে। ইউক্রেনকে সামনে রেখে, তাহলে পেছন থেকে ন্যাটোই লড়ছে? বাস্তব চিত্র তা নয়। রুশ আগ্রাসনের শুরু থেকে প্রেসিডেন্ট জেলেনেস্কির আর্তনাদ শুনেছে বিশ্ব। কখনও নিঃশব্দে, কখনও সতর্ক প্রতিক্রিয়ায়। যখন যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চল থেকে ছিন্নমূল মানুষ দলে দলে পূর্ব ইউরোপের দিকে ছুটতে থাকে, কিয়েভ সহ একাধিক বড় বড় শহর রণ রক্তে ভাসতে থাকে, যখন বাড়িঘর, সরকারি অফিস ও কারখানা রুশ দখল করে নেয়, তখনও ইউক্রেনে ন্যাটো সরাসরি হস্তক্ষেপ করেনি। যুদ্ধের রসদ, দৈনন্দিন খাদ্যের যোগান দিয়েছে ইউরোপ ও আমেরিকা, কিন্তু যুদ্ধে জড়াতে চায়নি। বিশ্বের জনমত তখন দ্বিখণ্ডিত। পরিস্থিতির দায় কেবল মস্কোর ঘাড়ে চাপানো হয়নি, আমেরিকা ও অন্যান্য দেশের প্ররোচনাকেও দায়ী করা হয়েছে। যুদ্ধ যুদ্ধের মত এদিক ওদিক জুড়ে ধ্বংস লীলা ছড়িয়েছে, আমদানি -রপ্তানির পথ রুদ্ধ করেছে, দুর্লভ করে তুলছে প্রয়োজনীয় পণ্য, তখন পরোক্ষ আর প্রত্যক্ষ যুদ্ধবাজরা চক্ষুলজ্জার খাতিরে মুখ খুলেছে কে কত বড় যুদ্ধ বিরোধী, তা সাজাতে মিছিল আর প্রতিবাদের বহর প্রদর্শন করেছে। সুযোগ নিয়েছেন পুতিনের মত স্বৈরশাসক, জেলেনেস্কির মত এক নায়ক আর বাইডেনের মত মার্কিন স্বার্থের প্রতিরক্ষক।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী দাবি করেছেন, আসন্ন বসন্তে যুদ্ধরত দুই দেশই আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠবে। পুতিন মাথা নোয়াতে প্রস্তুত নন, পূর্বতন সোভিয়েতের ঔদ্ধত্য আর গৌরব ফিরিয়ে আনতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তাঁর দুঃসাহসের ঝুঁকি বাড়ছে। তাঁর নির্দেশিত আগ্রাসন অব্যাহত।
ইতিমধ্যে , ইউক্রেনের বৃহত্তম লবণখনির শহর সলেডার নিজের আয়ত্তে নিয়ে এসেছে মস্কো। তার মানে , প্রবল শীতেও থামতে চাইছে না রুশ সেনা। বসন্তে আরও বেশি আগ্রাসী হয়ে উঠবে মস্কো। আড়ালে দাঁড়িয়ে খেলছে যুদ্ধবাজ খেলোয়াড়রা।অস্ত্রব্যবসার কারখানায় তৃপ্তির হাসি, দ্যাখ মজা দ্যাখ।
❤ Support Us




