- এই মুহূর্তে দে । শ
- এপ্রিল ২৮, ২০২৩
শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরছে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলা । প্রতিক্রিয়া জানালেন অভিষেক
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার বিচার থেকে সরে দাড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টের অন্য এজলাসে স্থানান্তরিত করতে হবে। গত সেপ্টেম্বরে, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি বিষয়ে টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি।আদালতে বিচারাধীন বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমে মন্তব্য করা জেড়েই তাঁকে এই মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।
গত সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে অভিযোগ দায়ের হয় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এর জেরে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় মন্তব্য করেন, কোনও বিচারপতিরই আদালতের বিচারাধীন বিষয় নিয়ে টিভি চ্যানেলকে ইন্টারভিউ দেওয়ার এক্তিয়ার নেই। এখন দেখার, এসএসসিতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার দায়িত্বভার কলকাতা হাইকোর্টের কোন বিচারপতি এজলাসে উঠবে।
এদিন সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলা বিচারাধীন থাকায় এবিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি অভিষেক। তবে তিনি বলেছেন, দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। নির্বাচনী লড়াইয়ে পেরে উঠতে না পেরে বিজেপি বিচারব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত গুটিকতক ব্যক্তিকে ব্যবহার করছে। একইসঙ্গে অভিষেক বলেন, একারণেই বিগত দু’বছরে ২৬ টি ক্ষেত্রে সিবিআই তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শীর্ষ আদালতের নির্দেশে, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে অব্যহতি দেওয়ার পর, স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে। যদিও সে প্রসঙ্গে গত সোমবারই বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় স্পষ্ট করেছিলেন, বিচারপতি পরিবর্তন করা হলেও মামলায় তার কোনও প্রভাব পরবে না।এই মামলায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নেওয়া পদক্ষেপ, পূর্ববর্তী শুনানিতে তাঁর রায় ও নির্দেশেও কোনও পরিবর্তন আনা হবে না।
এদিকে সুপ্রিম কোর্টে এই নির্দেশের ফলে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীরা হতাশ। তাঁদের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গোটা বিষয়টির পরিণতির কথা ভেবে তাঁরা কোনও কথা বলার মতো অবস্থাতেই নেই। তাঁদের আবেদন, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসেই যেন নিয়োগ দুর্নীতি মামলা চলে।
❤ Support Us






