- দে । শ
- জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
ব্যবসায়ী খুনে অভিযুক্ত রাজগঞ্জের বিডিওকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ শীর্ষ আদালতের
ব্যবসায়ী অপহরণ ও খুনের মামলায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে এবার অবশ্যই আত্মসমর্পণ করতে হবে। আগামী শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার এই নির্দেশ দেয় বিচারপতি রাজেশ বিন্দল ও বিজয় বিষ্ণোই–এর ডিভিশন বেঞ্চ।
আগাম জামিন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রশান্ত বর্মন। তবে সেই আবেদনে স্বস্তি মেলেনি। শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আত্মসমর্পণ এড়ানোর আর কোনও সুযোগ নেই। এদিন প্রশান্তের আইনজীবী আত্মসমর্পণের জন্য ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় চাইলেও সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়।
তবে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, আত্মসমর্পণের পর প্রশান্ত বর্মন জামিনের আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি, তদন্তকারী সংস্থা যদি তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায়, সেই আবেদনও বিবেচনা করা হতে পারে।
উল্লেখ্য, উত্তর ২৪ পরগনার দত্তাবাদের স্বর্ণকার স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত প্রশান্ত বর্মন। এর আগে তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ রাজ্য পুলিশের কাছে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
হাইকোর্টের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যান প্রশান্ত বর্মন। তাঁর পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহাতগি। তিনি দাবি করেন, কলকাতা হাইকোর্টে রোস্টার মেনে প্রশান্তর মামলার শুনানি হয়নি এবং তাঁর মক্কেল নির্দোষ।
এর পাল্টা সওয়ালে রাজ্য সরকারের আইনজীবী জানান, ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্তের যোগসূত্র প্রমাণে গুরুত্বপূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। সঠিক তদন্তের স্বার্থেই প্রশান্ত বর্মনকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করা প্রয়োজন বলে দাবি করে রাজ্য।
তাত্পর্যপূর্ণ বিষয় হল, কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিন খারিজ হওয়ার পর থেকেই প্রশান্ত বর্মন কার্যত নিখোঁজ। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলেও এতদিন তাঁকে ধরা যায়নি। তবে এবার সুপ্রিম কোর্ট সরাসরি আত্মসমর্পণের চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়ায়, আইনের হাত এড়ানোর আর কোনও পথ রইল না।
❤ Support Us






