- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- এপ্রিল ২৯, ২০২৬
দ্বিতীয় দফার শুরুতেই ভোট পড়ল ১৮.৩৯ শতাংশ । ভোট পর্যবেক্ষকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৃণমূলের । । ভবানীপুরে মুখোমুখি মমতা-শুভেন্দু
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণে সকাল ৯টা পর্যন্ত মোট ১৪২টি বিধানসভা আসনে গড়ে ১৮.৩৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। প্রথম দু’ঘণ্টার হিসাবে এই হার প্রথম দফার তুলনায় সামান্য কম, কারণ প্রথম দফায় একই সময় পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ১৮.৭৬ শতাংশ।
এদিন সকাল ৯টা পর্যন্ত সর্বাধিক ভোটদান হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়। পৃথক কেন্দ্রের নিরিখে মন্তেশ্বরে সবচেয়ে বেশি ২২.৫৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। তার ঠিক পরেই রয়েছে গলসি, যেখানে ভোটদানের হার ২২.৪৯ শতাংশ। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে মহেশতলায়—১৪.৯০ শতাংশ। ভাঙড়ে ভোটের হার ১৫.১৯ শতাংশ এবং ভবানীপুরে ১৭.০৮ শতাংশ।
দ্বিতীয় দফায় রাজ্যের সাতটি জেলা এবং কলকাতার দুই অংশ মিলিয়ে মোট আটটি জেলায় ভোটগ্রহণ চলছে। সামগ্রিকভাবে দেখা যাচ্ছে, ভোটদানের হার বৃদ্ধির প্রবণতা এই দফাতেও বজায় রয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সাত দফার সকাল ৯টার ভোটদানের হারের তুলনায় এ বছরের দুই দফাতেই ভোটদানের হার বেশি।
এই দফার ১৪২টি আসনের মধ্যে ৩৪টি আসন তফসিলি জাতি (এসসি)-র জন্য সংরক্ষিত এবং একটি আসন তফসিলি জনজাতি (এসটি)-র জন্য সংরক্ষিত। আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র জোড়াসাঁকো এবং সবচেয়ে বড় কেন্দ্র কল্যাণী। তবে ভোটারের সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে বড় কেন্দ্র হুগলির চুঁচুড়া, যেখানে মোট ভোটার ২.৭৫ লক্ষ। সবচেয়ে কম ভোটার রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া কেন্দ্রে, যেখানে ভোটার সংখ্যা ১.১৭ লক্ষ।
২০২৬ সালের বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) শেষে এই ১৪২টি কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ২১ লক্ষ ৭৫ হাজার ২৯৯। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ৬৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ৩০৬, মহিলা ভোটার ১ কোটি ৫৭ লক্ষ ৪০ হাজার ২১৬ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৭৯২ জন।
এদিন সকাল ৯টা পর্যন্ত সর্বাধিক ভোটদান হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়। পৃথক কেন্দ্রের নিরিখে মন্তেশ্বরে সবচেয়ে বেশি ২২.৫৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। তার ঠিক পরেই রয়েছে গলসি, যেখানে ভোটদানের হার ২২.৪৯ শতাংশ। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে মহেশতলায়—১৪.৯০ শতাংশ। ভাঙড়ে ভোটের হার ১৫.১৯ শতাংশ এবং ভবানীপুরে ১৭.০৮ শতাংশ।
দ্বিতীয় দফায় রাজ্যের সাতটি জেলা এবং কলকাতার দুই অংশ মিলিয়ে মোট আটটি জেলায় ভোটগ্রহণ চলছে। সামগ্রিকভাবে দেখা যাচ্ছে, ভোটদানের হার বৃদ্ধির প্রবণতা এই দফাতেও বজায় রয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সাত দফার সকাল ৯টার ভোটদানের হারের তুলনায় এ বছরের দুই দফাতেই ভোটদানের হার বেশি।
এই দফার ১৪২টি আসনের মধ্যে ৩৪টি আসন তফসিলি জাতি (এসসি)-র জন্য সংরক্ষিত এবং একটি আসন তফসিলি জনজাতি (এসটি)-র জন্য সংরক্ষিত। আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র জোড়াসাঁকো এবং সবচেয়ে বড় কেন্দ্র কল্যাণী। তবে ভোটারের সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে বড় কেন্দ্র হুগলির চুঁচুড়া, যেখানে মোট ভোটার ২.৭৫ লক্ষ। সবচেয়ে কম ভোটার রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া কেন্দ্রে, যেখানে ভোটার সংখ্যা ১.১৭ লক্ষ।
২০২৬ সালের বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) শেষে এই ১৪২টি কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ২১ লক্ষ ৭৫ হাজার ২৯৯। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ৬৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ৩০৬, মহিলা ভোটার ১ কোটি ৫৭ লক্ষ ৪০ হাজার ২১৬ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৭৯২ জন।
ভোটের দিন সকাল সকাল নিজের কেন্দ্রে বেরিয়ে পর্যবেক্ষকদের বিরুদ্ধে ইচ্ছেমতো ভোট করার অভিযোগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুরের চেতলায় একটি বুথে গিয়ে তৃণমূল নেত্রী বলেন ভোট কেমন হচ্ছে দেখেন। তারপর তিনি অভিযোগ করেন, “বাইরে থেকে পর্যবেক্ষকরা এসে ইচ্ছেমতো ভোট করছে। এভাবে ভোট হয় ?”
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সকাল সকাল ভোট দিয়ে, পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মার নাম না করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “পর্যবেক্ষকের কাজ কমিশনের চোখ ও নাক হয়ে কাজ করা, সেটা না করে তারা আমাদের নেতা কর্মীদের হুমকি, শাসানি দিচ্ছে। আমি সবাইকে বলছি, মাথা উঁচু করে ভোট দিন।”
নির্বাচন কমিশন আশ্বাস দিলেও প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফার ভোট প্রথম ১ ঘণ্টায় সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ হচ্ছে বলে বলা যাচ্ছে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল চলছে। তার পরেও ভাঙড়, ক্যানিং পূর্ব, কলকাতার শ্যামপুকুর, ভবানীপুর প্রভৃতি জায়গা থেকে শাসক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূত কাজ করার অভিযোগ এসেছে। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের কার্যালয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি দিয়ে পুলিশ বলে ৪ জনের বেশি কোথাও কেউ থাকবে না। এটা নির্বাচন কমিশনের নিয়ম। ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা পাড়ায় যেমন রোজ আড্ডা দিই তেমন দিচ্ছিলাম। পুলিশ এসে বাঁধা দিচ্ছে। কমিশন নিরপেক্ষ নয়, বিজেপি পক্ষ।”
এদিকে সকাল সকাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেতলার একটু বুথে পৌঁছে কেমন ভোট হচ্ছে তা দেখতে আসেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এর আগে তাঁকে কখনও ভোটের দিন বুথ ঘুরে দেখতে দেখা যায়নি, তিনি প্রতি ভোটে বেলা ৩টের পর মিত্র ইন্সটিটিউশনে এসে ভোট দেন। তবে এবার তিনি সকাল চেতলার একটি বুথে এসে ভোটদান পর্যবেক্ষণ করে গেলেন নিজের কেন্দ্রে। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, “বাইরে থেকে পর্যবেক্ষক এনে ভোট করাচ্ছে। এই পর্যবেক্ষকরা নিজেদের ইচ্ছেমতো ভোট করাচ্ছে। কোনও কথা শুনছে না। চক্রবেরিয়ায় আমাদের সব পোস্টার ছিড়ে ফেলেছে। এভাবে ভোট হয় না।”
এবার ভবানীপুর কেন্দ্রটি নজরকাড়া। এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। ভোটের দিন সকালে মন্দিরে পুজো দিয়ে বুথে যান শুভেন্দু। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে বিজেপি নেতা বলেছেন, এখানকার ১৩৮ নম্বর বুথে ভিভিপ্যাট নিয়ে কিছু সমস্যা আছে।” শুভেন্দু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতোই ঘুরুন, অভিযোগ করুন উনি বিপুল ভোটে হারছেন।”
পুলিশ পর্যবেক্ষক উত্তর প্রদেশের আইপিএস এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট সিংঘম অজয়পাল শর্মা ফলতা ও ডায়মন্ড হারবার পুলিশ কমিশনারেটের বিভিন্ন এলাকায় টহল দেওয়া শুরু করেন। দেখেন কোনও ভাবে কেউ ভোটারদের প্রভাবিত করছে কি না । জগদ্দলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান বিশাল বাহিনী নিয়ে টহল দিচ্ছেন। ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী কৌস্তভ বাগচীর অভিযোগ তৃণমূল টাকা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করছে। কৌস্তভ বলেন, “মঙ্গলবার রাত থেকে টাকা,মদের বোতল দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করেছে। আমায় ভোটাররা এই অভিযোগ করেছে। আমি ভোটারদের বলেছি টাকা নিয়ে নিন। ভোটটা বিজেপিকে দেবেন। আমার ব্যারাকপুরের ভোটারদের ওপর ২০০ শতাংশ ভরসা আছে।”
ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্রে একটি বুথে সকাল সকাল আইএসএফ এর পোলিং এজেন্টকে মেরে, কাগজপত্র ছিড়ে বুথ থেকে বার করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন এই বিধানসভার আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল ইসলাম। তিনি বলেন, “শওকত মোল্লা এখানে হুমকি, হুশিয়ারি দিচ্ছে। আমি আমার এজেন্টকে আবার বসিয়ে এসেছি। কমিশনের কাছে অভিযোগ করেছি।
সকালেই কলকাতার শ্যামপুকুরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে এখানকার একটি বুথের সামনে জমায়েতের অভিযোগ ওঠে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা সেই জমায়েত হঠিয়ে দেয়।
❤ Support Us






