Advertisement
  • দে । শ
  • অক্টোবর ১১, ২০২৩

পাকিস্তানের মাটিতে খুন ভারতের খাতায় “মোস্ট ওয়ান্টেড” জইশ জঙ্গি শাহিদ লতিফ

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
পাকিস্তানের মাটিতে খুন ভারতের খাতায় “মোস্ট ওয়ান্টেড” জইশ জঙ্গি শাহিদ লতিফ

জইশ জঙ্গি শাহিদ লতিফ পাকিস্তানের মাটিতে খুন হয়ে গিয়েছেন। বুধবার শিয়ালকোটে কয়েক জন দুষ্কৃতী গুলি করে তাঁকে  ঝাঁঝরা করে দিয়েছে। কারা তাঁকে মারল? এই প্রশ্নের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি!  ভারতের খাতায় “মোস্ট ওয়ান্টেড” ছিলেন এই জইশ জঙ্গি শাহিদ লতিফ।

২০১৬ সালে পঠানকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা। চার দিন ধরে জঙ্গি এবং সেনা জওয়ানদের মধ্যে চলেছিল গুলির লড়াই। সেই সংঘর্ষে ভারতের সাত জন নিরাপত্তারক্ষী এবং এক সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়। পাকিস্তানে বসে এই হামলার পরিকল্পনা এবং পরিচালনা করেছিলেন লতিফ। তিনিই চার জঙ্গিকে হামলার দায়িত্ব দিয়ে পঠানকোটে পাঠিয়েছিলেন।

২০১৬ সালের ২ জানুয়ারী, পঠানকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা। চার দিন ধরে জঙ্গি এবং সেনা জওয়ানদের মধ্যে চলেছিল গুলির তীব্র লড়াই। সেই সংঘর্ষে ভারতের সাত জন নিরাপত্তারক্ষী এবং একজন  সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়। পাকিস্তানে বসে এই হামলার পরিকল্পনা এবং পরিচালনা করেছিলেন জইশ জঙ্গি শাহিদ লতিফ। তিনিই চার জঙ্গিকে হামলার দায়িত্ব দিয়ে পঠানকোটে পাঠিয়েছিলেন। সাত বছর পর পঠানকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানঘাঁটিতে হামলার মূল চক্রীকে পাকিস্তানের মাটিতেই খুন হতে হল।

কে এই শাহিদ লতিফ ?

এনআইএ সূত্রেশাহিদ লতিফ সম্পর্কে অনেক তথ্য জানা যায়। পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের সক্রিয় সদস্য ছিলেন শাহিদ লতিফ। তিনি জইশ জঙ্গি সংগঠনের লঞ্চিং কমান্ডারের দায়িত্বে ছিলেন। একাধিক বড় হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন এই শাহিদ লতিফ।

পঠানকোট হামলার তদন্ত থেকে জানা যায়, পাকিস্তানে বসে চার জইশ জঙ্গির সঙ্গে ভারতে হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন এই লতিফ। তাঁর কথাতেই ২০১৬ সালে নতুন বছর শুরু হতেই কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছিল চার জন জইশ জঙ্গি। অতর্কিতে জইশ জঙ্গিরা বায়ুসেনার ঘাঁটিতে হামলা চালায়। শুরু হয় গুলিবর্ষণ। টানা চার দিনের লড়াইয়ের শেষে জইশের ওই চার জঙ্গিও ভারতীয় জওয়ানদের গুলিতে খতম হয়।

হামলার এক দিন পরে ৩ জানুয়ারি পঠানকোটের সেনাঘাঁটিতে একটি বড়সড় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল। সেই বিস্ফোরণেরও “মাস্টারমাইন্ড” ছিলেন এই লতিফ। সেই বিস্ফোরণে আরও এক নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যু হয়।

১৯৯৪ সালে পাক জঙ্গি লতিফকে জম্মু থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ এবং মাদক পাচারের অভিযোগ ছিল। ২০১০ সালে লতিফকে জেল থেকে মুক্তি দিয়ে পাকিস্তানের হাতে তুলে দেয় ভারত সরকার।

ভারতের তৎকালীন সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতির জন্য সে সময় লতিফ-সহ ২০ জন জঙ্গিকে মুক্তি দিয়েছিল। কাঁটাতার পেরিয়ে পাকিস্তানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল তাঁদের।

১৯৯৯ সালে ভারতে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ছিনতাই করার নেপথ্যেও এই লতিফের হাত ছিল বলে ভারতীয় গোয়েন্দাদের অনুমান।  পরে পঠানকোট হামলার তদন্তভার পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তারাই লতিফের সম্বন্ধে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জোগাড় করেছিল।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!