- এই মুহূর্তে দে । শ
- অক্টোবর ২৮, ২০২৫
আল কায়দা সংযোগ, পুণে থেকে গ্রেফতার সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার
পাকিস্তানের আল কায়দার মতো নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিষোগে মহারাষ্ট্রের পুণেতে গ্রেফতার এক যুবক। সোমবার মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড (এটিএস) জুবের হাঙ্গারগেকর নামে ওই যুবককে গ্রেফতার করে। জুবের পেশায় একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। ইউপিএ আদালত তাঁকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
একমাস ধরে পুনে এটিএস জুবের হাঙ্গারগেকরের ওপর নজর রাখছিল। তিনি তরুণদের মৌলবাদী করে তোলার তালিম দিচ্ছিলেন ওবং আল কায়দার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। এই ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পর সোমবার পুনের কোন্ধোয়া এলাকা থেকে জুবেরকে গ্রেফতার করে এটিএস কর্তারা। তাঁর বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের ধারায় মামলা করা হয়েছে। সোমবারই জুবেরকে বিশেষ ইউপিএ আদালতে তোলা হয়। পুলিশ আদালতকে জানিয়েছে যে হাঙ্গারগেকরের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার এবং মহারাষ্ট্র এবং অন্যান্য শহরে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে যে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার জুবেরের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময় যুবকদের মৌলবাদী করার জন্য তৈরি নানরকম জিনিসপত্র উদ্ধার করেছে। তাঁর ল্যাপটপ ঘেঁটে পাকিস্তানের আল কায়েদার মতো নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যোগসূত্রের হদিস পেয়েছে পুলিশ।
এর আগে ২৭ অক্টোবর পুনে রেলওয়ে স্টেশনে চেন্নাই এক্সপ্রেস থেকে চারজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছিল পুলিশ। ৯ অক্টোবর এটিএস পুনের একাধিক স্থানে অভিযান চালিয়ে ইলেকট্রনিক ডিভাইস, নথি এবং নানারকম সরঞ্জাম উদ্ধার করে, যা এই অঞ্চলে একটা বৃহত্তর সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।
সোমবার পুণে এটিএসের অভিযান দিল্লির সাদিক নগর থেকে মহম্মদ আদনান খান ওরফে আবু মুহারিব (১৯) এবং ভোপাল থেকে আদনান খান ওরফে আবু মহম্মদ (২০)–কে ইসলামিক স্টেট সম্পর্কিত একটা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। এই দুটি গ্রেফতারের ঘটনা প্রমাণ করে যে, আইএসের অনলাইন মৌলবাদ শাখা অত্যন্ত সক্রিয়। ইসলামিক স্টেট শক্তির তুলনায় অনলাইনে উপস্থিতি বেশি। তারা মানুষকে মৌলবাদে আকৃষ্ট করার জন্য বেশ কয়েকটি কৌশল গ্রহণ করেছে।
দিল্লি মামলার তদন্তে এখনও পর্যন্ত জানা গেছে যে, এই দুজন অনলাইনের মাধ্যমেই মৌলবাদীতে আকৃষ্ট হন। তারা সিরিয়ার একজন হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এই দুজনকে সিরিয়া থেকে পরিচালিত করা হচ্ছিল। সিরিয়ায় আইসিস পরাজিত হলেও শক্তিশালীভাবে ফিরে এসেছে। গত বছর যেখানে ৭২টি হামলা চালিয়েছিল, এবছর সেখানে ইতিমধ্যেই ১১৫টি হামলা চালিয়েছে, যা তাদের শক্তিবৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
❤ Support Us






