- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ৪, ২০২৪
৬ মে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা পেশ সুপ্রিম কোর্টে, প্রতিশ্রুতি এসএসসি সভাপতির
সুপ্রিম কোর্টের কাছে অবশেষে ‘অযোগ্য’ চাকরি প্রার্থীদের তালিকা জমা দিতে চলেছে এসএসসি। এই নিয়ে শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে এসএসসি সভাপতি সিদ্ধার্থ মজুমদার। আগামী সোমবার ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে এই মামলায় ফের শুনানি ।
হাইকোর্টে যোগ্য অযোগ্যদের তালিকা দিলে চাকরি খোয়াতে হত না, এনিয়ে আগেই এসএসসিকে দায়ী করছেন চাকরিহারা শিক্ষকরা । শুক্রবার সল্টলেকের আচার্য সদনের সামনে তারা বিক্ষোভ দেখান ।এরপরই সাংবাদিক বৈঠক করে, ৬ মে সুপ্রিম কোর্টে অযোগ্যদের তালিকা তুলে দেওয়ার কথা বলেন এসএসসি সভাপতি । যোগ্য এবং অযোগ্যদের প্রার্থী তালিকা সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি । সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেছেন , ‘ আমরা যেমন অযোগ্যদের একটা তালিকা স্পেশাল বেঞ্চে দিয়েছিলাম। তেমনই বিতর্কিতদের তালিকা সুপ্রিম কোর্টেও তুলে ধরব। কারোর চাকরি যাক, আমরা চাই না।’
এর আগে ২৯ এপ্রিল প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় রায় জানিয়েছিলেন, ‘ওএমআর শিট যেখানে নষ্ট করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে যোগ্য- অযোগ্য বাছা হবে কী ভাবে?’ তাই তিনি আগামী সোমবার শুনানির পরবর্তী দিন ঘোষণা করে পুরো মামলাটির আদ্যোপান্ত শুনতে চান । ফলে কলকাতা হাইকোর্টের প্রায় ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের রায়ে কোন স্থগিতাদেশ তিনি দেননি। কোনও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতেও নিষেধ করেন বিচারপতি।
এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২০১৬ সালের নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ এবং গ্রুপ সি-ডির সমস্ত নিয়োগ বাতিল করে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ। চাকরি হারান প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা।চার সপ্তাহের মধ্যে ১২ শতাংশ হারে সুদ-সহ ওই রায়ে চাকরি বাতিলের পাশাপাশি যাঁরা মেয়াদ-উত্তীর্ণ প্যানেলে চাকরি পেয়েছিলেন, যাঁরা সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন, বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় ।
প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যদি আগেই এসসির কাছে অযোগ্যদের তালিকা ছিল তাহলে তা আগে কেন প্রকাশিত হয়নি? কেন তাঁদের এই পদক্ষেপের জন্য ‘যোগ্য’দের সাথে বঞ্চনা হল?
❤ Support Us






