- এই মুহূর্তে দে । শ
- এপ্রিল ২৫, ২০২৩
বিধানসভায় পাস হওয়া বিল নিয়ে গড়িমসি নয়। রাজ্যপালদের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ
রাজ্য বিধানসভাগুলিতে পাস হওয়া বিলগুলি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির রাজ্যপালকে যত দ্রুত সিদ্ধান্ত দিতে হবে। নির্দেশ শীর্ষ আদালতের। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, সংবিধানের ২০০ নম্বর ধারা অনুসারে বিধানসভায় পাস হওয়া বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে রাজ্যপালরা গড়িমসি করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে হয় তাঁদের বিল অনুমোদন করতে হবে কিংবা খারিজ করতে হবে অথবা বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে তা রাষ্ট্রপতির কাছে অনুমোদনের জন্যে পাঠানো যেতে পারে।
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি পিএস নরসীমার ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। তেলেঙ্গানার সরকার সম্প্রতি বিল পাসের ক্ষেত্রে রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। তেলেঙ্গানা সরকারের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টকে জানানো হয়, রাজ্য বিধানসভায় পাস হওয়া ১০টি বিল রাজ্যপাল তামিলিসাই সৌন্দরাজন আটকে রেখেছেন।
এব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয় তেলেঙ্গানা সরকারের তরফে। প্রসঙ্গত, এই আবেদন সুপ্রিম কোর্টে খারিজ হয়ে যায় রাজ্যপাল সবকটি বিলই ইতিমধ্যে পাস করে দিয়েছেন তা জানানোর পরে।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যপালের মারফত বিল পাস সংক্রান্ত যে শুনানি হয়েছে, তেলেঙ্গানা সরকারের পক্ষে আদালতে এর প্রতিনিধিত্ব করেন প্রবীণ আইনজীবী দুষ্মন্ত দাভে। তিনি বলেন, দেশের অবিজেপি রাজ্য সরকারগুলির তরফে বিধানসভাতে বিল পাস করানোর পরেও সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির রাজ্যপাল দিনের পর দিন বিলে ছাড়পত্র দেওয়ার বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছেন। এব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চান আইনজীবী দুষ্মন্ত দাভে।
আইনজীবী দুষ্মন্ত দাভে সুপ্রিম কোর্টে এও অভিযোগ জানিয়েছেন, বিজেপিশাসিত রাজ্য সরকারগুলির ক্ষেত্রে রাজ্যপালরা যদিও বিল পাসের ক্ষেত্রে কোনও গড়িমসি করছেন না। যেমন, বিজেপিশাসিত গুজরাট কিংবা মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে রাজ্যপাল বিল পাস করে দিচ্ছেন এক সপ্তাহ থেকে বড়জোর একমাসের ভিতর।
দেশের অবিজেপিশাসিত একাধিক রাজ্যের সরকার সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে বিল পাসের ক্ষেত্রে রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই রাজ্যগুলির মধ্যে রয়েছে কেরল, দিল্লি, তামিলনাড়ু, পঞ্জাব, ছত্তীশগড়ের মতো রাজ্য। ইতিমধ্যেই এই রাজ্য সরকারগুলির তরফে বিল পাসে রাজ্যপাল গড়িমসি করছেন এবং প্রশাসনিক কাজে হস্তক্ষেপ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রসঙ্গত, চলতি মাসে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন অভিযোগ করেন, অবিজেপিশাসিত রাজ্যগুলির বিধানসভায় কোনও বিল পাসের পরে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির রাজ্যপালরা বিল পাসের ক্ষেত্রে যাতে গড়িমসি না করতে পারেন, এজন্যে রাজ্যপালদের বিল পাসের ধরাবাঁধা সময় দেওয়া হোক, যাতে রাজ্যপালেরা অনির্দিষ্টকালের জন্যে ওই বিলগুলি আটকে রাখতে না পারেন।এবিষয়ে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অবিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের চিঠিও পাঠান।দিল্লি ও কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি এই বিষয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে।
❤ Support Us







