Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • অক্টোবর ২৮, ২০২৫

বাংলায় এসআইআর হলেও বাড়বে তৃণমূলের আসন, পদ্ম শিবিরকে ওপেন চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বাংলায় এসআইআর হলেও বাড়বে তৃণমূলের আসন, পদ্ম শিবিরকে ওপেন চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগেই রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে যোগ্য ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এই প্রেক্ষিতেই মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে আত্মবিশ্বাসী সুরে মুখ খুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিজেপিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, “বিজেপি বলছে এসআইআর হলে তৃণমূল হেরে যাবে। আমি বলছি, বুকের পাটা থাকলে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন। ২০২৬ সালে এসআইআর-এর পরেও আমরা ২০২১ সালের তুলনায় অন্তত একটি আসন বেশি পাব। কমার প্রশ্নই ওঠে না। আর বিজেপিকে নামাব ৫০ আসনে।”
এদিন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক বলেন, “এবার রাজ্যে বিজেপি পরাস্ত হলে, কেন্দ্রের কাছে প্রাপ্য বাংলার বকেয়া ২ লক্ষ কোটি টাকা দিয়ে দেবে। বিজেপিরতো অনেক সাংসদ আছে কাউকে দিল্লি গিয়ে বলতে শুনেছেন ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ হলে বাংলায় গরীব মানুষদের সমস্যায় পড়তে হবে ? এই দাবিতে আমি দিল্লি গিয়ে আন্দোলন করেছি। কেন্দ্রের পুলিশ আমাদের মহিলা সাংসদ বিরবাহা হাঁসদার চুলের মুটি ধরে টেনেছে।”
অভিষেকের কথায়, বিজেপি যদি সত্যিই আত্মবিশ্বাসী হয়, তবে প্রকাশ্যে ঘোষণা করুক— যদি তৃণমূলের আসন সংখ্যা ২০২১ সালের চেয়ে বাড়ে, তাহলে রাজ্যের জন্য কেন্দ্র আটকে রাখা দুই লক্ষ কোটি টাকা মুক্তি দেবে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, অভিষেকের এই মন্তব্য ২০২৬ সালের ভোটের আগে তৃণমূলের সংগঠিত আত্মবিশ্বাসেরই প্রতিফলন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ২০০-র বেশি আসনের দাবি করেছিল বিজেপি, কিন্তু ফলাফলে তারা পায় মাত্র ৭৭টি আসন। পরবর্তীতে দলবদল ও ইস্তফার কারণে সেই সংখ্যা আরও কমে যায়।
সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক আরও দাবি করেন, পানিহাটির বাসিন্দা প্রদীপ কর নামে এক ব্যক্তি আত্মঘাতী হয়েছেন এসআইআর-কে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া আশঙ্কায়। তিনি বলেন, “প্রদীপ কর এনআরসি-র ভয় পাচ্ছিলেন। তাঁর পরিবারের কাছ থেকে এই তথ্য পেয়েছি। আমি জানতে চাই, আর কত রক্ত চাই জ্ঞানেশ কুমার আর অমিত শাহদের ? একজন বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলেও লক্ষ লক্ষ মানুষ নির্বাচন কমিশনের দফতর ঘেরাও করবে।”
রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং কেন্দ্রের নীতির বিরুদ্ধে অভিষেকের এই সরব অবস্থান আগামী বিধানসভা ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!