- এই মুহূর্তে দে । শ
- ডিসেম্বর ২২, ২০২৫
‘বৈধ ভোটারদের নাম বাদ প্রশাসনিক ভুল নয়’, মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় কী বললেন বিরোধী দলনেতা ?
সোমবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে বিএলএ ও বিএলএ-২দের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । রাজ্যে চলমান এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে এই বৈঠককে কেন্দ্র করেই মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী । তাঁর দাবি, এসআইআর ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই “বেসামাল” হয়ে পড়েছেন এবং নেতাজি ইনডোরের এই বৈঠকই তার প্রমাণ ।
শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, “শুরু থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস এসআইআর-কে ঘুরপথে এনআরসি কার্যকর করার চেষ্টা বলে প্রচার করেছে । খোদ মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, তিনি বাংলায় এনআরসি বা এসআইআর কোনওটাই হতে দেবেন না । অথচ নির্ধারিত সময়েই রাজ্যে এসআইআরের কাজ শুরু হয়েছে । বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুরু থেকেই মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন, আগে সিএএ (CAA) ও এনআরসি গুলিয়ে দিয়েছিলেন, এখনও একই কৌশল অনুসরণ করছেন, তবে সাধারণ মানুষ সবকিছু বুঝে গেছেন এবং আর এই ‘মিথ্যাচারে’ গুরুত্ব দিচ্ছেন না”, বলেই দাবি তাঁর ।
একই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গেই কাজ করছে । আর এই স্বচ্ছতাই মুখ্যমন্ত্রীর ভয়ের আসল কারণ ।” বারবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করার প্রসঙ্গে মমতাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “উনি আরিজ আফতাবকে রেখে রাজ্যের মানুষকে ঠকিয়েছিলেন । রাজীব সিনহার মতো অফিসারকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের অফিসে বসিয়ে যা করেছিলেন, এখন সেটা আর করতে পারছেন না । তাই অমিত শাহকে আক্রমণ করছেন ।”
নেতাজি ইনডোরের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, “বিজেপি নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে সমস্ত এজেন্সিকে ‘দালাল’-এ পরিণত করেছে ।” তাঁর দাবি, “খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ইতিমধ্যেই ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে, এরপর আরও দেড় কোটি নাম বাদ দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে ।” মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, “বৈধ ভোটারদের নাম বাদ পড়া কোনও প্রশাসনিক ভুল নয়, বরং এর পিছনে রয়েছে সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র । শুধু বিজেপিই নয়, নির্বাচন কমিশনও এই ষড়যন্ত্রের অংশ”, বলে অভিযোগ করেন তিনি ।
বাইরের রাজ্য থেকে মাইক্রো রোল অবজারভার নিয়োগের অভিযোগ প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর পাল্টা চ্যালেঞ্জ, “৩ হাজার মাইক্রো রোল অবজারভারের মধ্যে যদি একজনও বাইরের রাজ্য থেকে নিয়োগ করা হয়ে থাকে, তাহলে তিনি নিজে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চাইবেন । অন্যথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই ক্ষমা চাইতে হবে”।
❤ Support Us






