- দে । শ
- নভেম্বর ২৯, ২০২৫
পুলিশ যখন স্যর। সিভিকদের পুলিশে চাকরির প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন সাব-ইন্সপেক্টর বোটন মণ্ডল
ডিউটি শেষ হতেই বোটন স্যরের ক্লাসে যাওয়ার তাড়া। কোনওরকমে মুখে-চোখে জল দিয়ে দুটো মুখে গুঁজেই ছোটেন সিভিক ভলেন্টিয়াররা। কালনা থানা লাগোয়া অঘোরনাথ স্টেডিয়ামের নির্দিষ্ট ঘরে গিয়ে বসা। সেখানেই সপ্তাহে ৪ দিন ঘন্টা আড়াই প্রশিক্ষণ দেন বোটন স্যর। পুলিশে চাকরির সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে চান তন্ময় পাল, গফুর শেখদের মত কালনা থানার একঝাঁক সিভিক ভলেন্টিয়ার। রাজ্য সরকার ১০,৮০০ কনেস্টবল নিয়োগ করবে। ন্যূনতম যোগ্যতা মাধ্যমিক পাশ। শূন্য পদের ১৫ শতাংশ বরাদ্দ হয়েছে সিভিক ভলেন্টিয়ার ও ভিলেজ পুলিশদের জন্য। এই সুযোগ পেতেই বোটন স্যরের কাছে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন সিভিক ভলেন্টিয়াররা।
কে এই বোটন স্যর ? মুর্শিদাবাদের তেঁতুলিয়ার বছর তিরিশের বোটন মণ্ডল ৮ মাস আগে কালনা থানায় সাব ইন্সপেক্টর পদে যোগ দিয়েছেন। লেখাপড়ায় যথেষ্ট সফল বোটন বন দপ্তর, স্কুলের অশিক্ষক কর্মী থেকে শুরু করে গোটা তিনেক চাকরি ছেড়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে ২০২৩-এ পুলিশের চাকরিতে যোগ দেন। চাকরির পরীক্ষা দেওয়ার অভিজ্ঞতা থাকায় বোটনের ক্লাস ‘খুবই কার্যকর’ বলে দাবি সিভিক ভলেন্টিয়ারদের। শুভঙ্কর দাস নামে এক সিভিক ভলেন্টিয়ার বলছিলেন, ‘রাজ্য সরকার আমাদের জন্য পুলিশের চাকরির দরজা খুলে দিয়েছে। কিন্তু এলাকায় ভালো প্রশিক্ষণের কোনো সুযোগ না থাকায় আমরা বোটন স্যরের শরণাপন্ন হই। উনি আমাদের জন্য নিজের কাজের ফাঁকে নিয়ম করে অঙ্ক, রিজনিং-সহ পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন-উত্তরের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আমরা কৃতজ্ঞ।’ চাকরির ‘কোড অফ কন্ডাক্টে’র কারণে প্রশিক্ষণ দেওয়া নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হলেন না বোটন স্যর। তবে তাঁর সিভিক ভলেন্টিয়ারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্পর্কে কালনার এসডিপিও রাকেশ চৌধুরির মূল্যায়ন, ‘খুবই প্রশংসনীয় কাজ’।
❤ Support Us





