Advertisement
  • দে । শ
  • জুলাই ২১, ২০২৩

দিল্লি অধ্যাদেশের বৈধতা বিচার করবে সাংবিধানিক বেঞ্চ, রায় শীর্ষ আদালতের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
দিল্লি  অধ্যাদেশের বৈধতা  বিচার করবে সাংবিধানিক বেঞ্চ,  রায় শীর্ষ আদালতের

দিল্লির প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে তা নিয়ে জট অব্যাহত। ইতিমধ্যে , সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন অধ্যাদেরশ সংবিধানে উল্লিখিত বিধি লঙ্ঘন করছে কিনা সে বিষয়ে সাংবিধানিক বেঞ্চই এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। কেন্দ্রীয় নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল কেজরিওয়াল প্রশাসন। তাঁদের দাবি ছিল রাজ্যের ব্যাপারে কেন্দ্র এভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারেনা। এখন গোটা ব্যাপারটিকে সরেজমিনে খতিয়ে দেখবে বিচারবিভাগীয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

সংবিধানে ২৩৯(এএ) ধারাতে কেন্দ্র ও রাজ্যের আধিকারিক নিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষমতা সম্পর্কে বিশদে উল্লেখ করা হয়েছে। শুক্রবার শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে , এক্ষেত্রে দুই সরকারের মধ্যে অধিকারের সীমারেখাটা কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে তা বিস্তারিত ভাবে দেখা জরুরি। দ্বিতীয়ত, আর একটি বিষয়ও খেয়াল রাখতে হবে যে, কেন্দ্র সরকার যে অধ্যাদেশ প্রশাসনিক নিয়োগের ব্যাপারে জারি করেছে, তা কোনোভাবে সংবিধান বর্ণিত রীতিকে লঙ্ঘন করে কিনা। এ নিয়ে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানিয়েছে, বিষয়টি যথেষ্ট জটিল। সংবিধানের যথাযথ ব্যাখ্যা পুরো মামলাটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। তাই সাংবিধানিক বেঞ্চ ছাড়া চূড়ান্ত মীমাংসা সম্ভব নয়।

দিল্লির বিদ্যুৎ নিগমের প্রধান কে হবেন তা নিয়ে মত বিরোধে জড়িয়ে পড়েন দিল্লির উপরাজ্যপাল এবং অরবিন্দ কেজরীওয়ালের নেতৃত্বাধীন দিল্লি সরকার। ১১ মে প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছিল, আমলাদের রদবদল থেকে যাবতীয় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে দিল্লির নির্বাচিত সরকারের। পরে,  গত ১৯ মে গভীর রাতে অর্ডিন্যান্স এনে দশ  পাতার গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কেন্দ্র। তাতে  জাতীয় রাজধানী সিভিল সার্ভিসেস কর্তৃপক্ষ গঠন করার কথা বলা হয় । আমলাদের নিয়োগ ও বদলি সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত তাঁরাই  নেবেন। অধ্যাদেশে  অনুযায়ী, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হবেন এর চেয়ারপার্সন পদে  বসার কথা। সদস্য হিসেবে থাকবেন মুখ্যসচিব এবং প্রিন্সিপাল স্বরাষ্ট্রসচিব। নিয়োগ ও বদলি সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত এই কর্তৃপক্ষ ভোটাভুটির মাধ্যমে চূড়ান্ত করবেন। মতবিরোধ হলে শেষ কথা বলবেন উপরাজ্যপাল।

কেন্দ্রের এ নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে সরাসরি  মামলা করেন  অরবিন্দ কেজরিওয়াল।   আপ শিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ  করা হয়, কেন্দ্রের অর্ডিন্যান্সের জেরে দিল্লির ‘ইলেক্ট্রিসিটি রেগুলেটরি কমিশন’-এর চেয়ারম্যান নিয়োগের ক্ষেত্রে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে । সোমবার  প্রধান বিচারপতির পক্ষ থেকে আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার কথা বলা হলেও  কোনো পক্ষই সমাধান সূত্রে আসতে পারেনি। তাই  বৃহস্পতিবার  শুনানি চলাকালে দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানায়, ২৩৯এএ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অর্ডিন্যান্স জারি করেছে, তাই সাংবিধানিক বেঞ্চই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত রায় দেবে। শুক্রবার সে কথাই  বিস্তারিত   ব্যাখ্যা সহ জানালেন তিন বিচারপতির বেঞ্চ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!