- এই মুহূর্তে দে । শ
- সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৪
গণধর্ষণ হয়নি আরজি করে, জানাল সিবিআই
আর জি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে গণধর্ষণ করা হয়নি। এনডিটিভ–র এক প্রতিবেদনে এমনই জানা গেছে। সিবিআইয়ের একটা বিশেষ সূত্র এই সংবাদমাধ্যমকে এমনই জানিয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট থেকে যে প্রমাণগুলি পাওয়া গেছে, তাতে স্পষ্ট ইঙ্গিত শুধুমাত্র সঞ্জয় রায়ই মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করেছিল।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা মামলার ভার হাতে নিয়েছে। সিবিআইয়ের তদন্ত চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। খুব শীঘ্রই এই তদন্তকারী সংস্থা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দেবে। সিবিআইয়ের সূত্রটি এনডিটিভি–কে জানিয়েছে, অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়ের ডিএনএ সব মেডিকেল রিপোর্ট দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সের বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠিয়েছে। ডিএনএ–র উপাদান সম্পর্কে ডাক্তারদের চূড়ান্ত মতামত পাওয়ার পর সিবিআই তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ করবে।
সূত্রটি আরও জানিয়েছে যে, সিবিআই ১০০ জনেরও বেশি বিবৃতি রেকর্ড করেছে এবং ১০ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা করেছে, যার মধ্যে আর জি কর কলেজ ও হাসপাতালের প্রধান অধ্যক্ষ ডাঃ সন্দীপ ঘোষও রয়েছেন। আর জি কর কাণ্ডে ডাঃ সন্দীপ ঘোষসহ এখনও পর্যন্ত তিন জনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হয়েছেন আর্থিক অনিয়ম, দাবিহীন মৃতদেহ বিক্রি, বায়োমেডিকেল বর্জ্য পাচার এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারীদের দেওয়া কমিশনের বিরুদ্ধে টেন্ডার পাস করার অভিযোগে। আর মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় কলকাতা পুলিশ আগেই গ্রেফতার করেছিল সঞ্জয় রায়কে। তাকে আগেই সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে কলকাতা পুলিশ।
মহিলা চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের মামালায় সিবিআইয়ের ওপর ক্রমশ চাপ বাড়াচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। গত সপ্তাহে তিনি বলেছিলেন, ‘সিবিআইয়ের তদন্তের আগে আমি পাঁচ দিনের সময় চেয়েছিলাম। কিন্তু মামলাটি সিবিআইতে পাঠানো হয়েছিল। ওরা বিচার চায় না, বিলম্ব চায়। ১৬ দিন হয়ে গেছে, বিচার কোথায়?’ ১৭ সেপ্টেম্বর সিবিআই কলকাতা হাইকোর্টে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাঝেই আজ সকালে কলকাতায় ডাঃ সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে আবার হানা দিল সিবিআই।
❤ Support Us






