- এই মুহূর্তে দে । শ
- নভেম্বর ৩, ২০২৫
স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় চার বছরে ১৩,১৫৬ কোটি টাকার চিকিৎসা পরিষেবা পেয়েছেন রাজ্যবাসী, তথ্য পেশ মুখ্যমন্ত্রীর
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর স্বপ্নের প্রকল্প “স্বাস্থ্যসাথী”-র সাফল্য উল্লেখ করে মঙ্গলবার তাঁর ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। এই পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী মূলত স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের থেকে রাজ্যের মানুষ কতটা নিবিড় পরিষেবা পেয়েছে তা তুলে ধরেন।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ফেসবুকে লেখেন, “৩১ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘স্বাস্থ্য সাথী’ প্রকল্প এক কোটি হাসপাতাল ভর্তির ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে। এই সময়ের মধ্যে মোট ১৩,১৫৬ কোটি টাকার নগদবিহীন স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা রাজ্যের নাগরিকদের দেওয়া হয়েছে — সম্পূর্ণভাবে রাজ্য সরকারের বাজেট থেকে।
পশ্চিমবঙ্গের যে কোনও বাসিন্দা, যিনি অন্য কোনও রাজ্য-নির্ভর প্রকল্পের আওতায় নেই, তিনি ‘স্বাস্থ্য সাথী’ প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন। বর্তমানে রাজ্যের ৮.৫ কোটিরও বেশি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় আছেন।
উন্নত আইটি প্ল্যাটফর্ম ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাসপাতালগুলিকে অর্থপ্রদান নিশ্চিত করার ফলে প্রকল্পটির সুবিধাভোগীরা দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও স্বচ্ছ পরিষেবা পাচ্ছেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার সর্বদা আপনার পাশে — বিশেষ করে আপনার কঠিন সময়ে।”
‘স্বাস্থ্য সাথী’ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি সর্বজনীন, সম্পূর্ণ রাজ্য-নির্ভর স্বাস্থ্যসুরক্ষা প্রকল্প, যার মূল লক্ষ্য রাজ্যের সমস্ত নাগরিককে বিনামূল্যে ও নগদবিহীন চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করা। ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রকল্পের সূচনা করেন। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে প্রকল্পটি সর্বজনীন রূপে কার্যকর হয়, অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি পরিবার (যারা অন্য কোনও সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় নেই) এই সুবিধা পেতে পারে। ‘স্বাস্থ্য সাথী’ কার্ডধারীরা বছরে প্রতি পরিবারে সর্বাধিক ₹৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নগদবিহীন চিকিৎসা সুবিধা পান।
২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এই প্রকল্পের মাধ্যমে এক কোটি হাসপাতাল ভর্তি সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে রাজ্য সরকার সম্পূর্ণভাবে ১৩,১৫৬ কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। বর্তমানে ৮.৫ কোটিরও বেশি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় এসেছেন। রাজ্যজুড়ে সরকারি ও বেসরকারি মিলে দেড় হাজারেরও বেশি হাসপাতাল যুক্ত রয়েছে ‘স্বাস্থ্য সাথী’ পরিষেবার সঙ্গে। উন্নত আইটি প্ল্যাটফর্ম, বায়োমেট্রিক যাচাই এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাসপাতালগুলিকে অর্থপ্রদানের কারণে এই প্রকল্প দ্রুত ও স্বচ্ছ পরিষেবা নিশ্চিত করছে।
‘স্বাস্থ্য সাথী’ আজ পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের জন্য এক নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যনিরাপত্তার প্রতীক হয়ে উঠেছে — যা সম্পূর্ণভাবে রাজ্য সরকারের বাজেট থেকে পরিচালিত এবং নাগরিকদের কঠিন সময়ে পাশে থাকার সরকারের অঙ্গীকারের বাস্তব প্রতিফলন।
❤ Support Us






