Advertisement
  • দে । শ
  • ডিসেম্বর ৩১, ২০২৪

পূর্ব বর্ধমানে সিপিএমের জেলা কমিটিতে নতুন দশ মুখ

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
পূর্ব বর্ধমানে সিপিএমের জেলা কমিটিতে নতুন দশ মুখ

শেষ হল সিপিএমের পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্মেলন। তৈরি হল নবনির্বাচিত জেলা কমিটি। কমিটিতে ৫ জন সদস্য বাড়িয়ে ৬০ জনের নতুন কমিটি তৈরি হয়েছে। অসুস্থতা-সহ নানা কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে ১৫ জনকে। ৩১ বছর বয়সের নীচে ১০ জনকে নবনির্বাচিত জেলা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জেলায় ৫টি এরিয়া কমিটি বেড়ে ৩৬ হয়েছে। সম্পাদক হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন সৈয়দ হোসেনই। ছিলেন দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অঞ্জু কর, আভাস রায়চৌধুরি, রাজ্য কমিটির সদস্য অচিন্ত্য মল্লিক, অমল হালদার, সৃজিত ভট্টাচার্যরা। দলে ‘অক্সিজেন’ জুড়তে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ টানা ২ মাস স্থানীয় সমস্যাগুলি নিয়ে বুথ স্তরে সভা, বৈঠক, মিছিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মমতা ব্যানার্জি বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন বিভিন্ন ঘটনায় যেভাবে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতেন, আন্দোলনের বিষয়কে সর্বস্তরে আপামর মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারতেন, আন্দোলনের তীব্রতা সেই মাত্রায় তোলা যাচ্ছে না বলে প্রশ্ন উঠেছে। কেন্দ্র সরকারের অধীনে থাকা কাটোয়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে না কেন, কাটোয়া শহর ঢোকার মুখে রেলের ওভারব্রিজ, কালনায় ভাগীরথীর উপর সেতু কবে হবে, চাষিদের ও তাঁতিদের ও পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা, পরিবেশ বিষয়ক সমস্যা। কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতা করে তেমন ফল মেলেনি বলেও সমালোচনা উঠে এসেছে। বিজেপির বিরুদ্ধে দলের বিরোধিতা আরও কট্টর হওয়া দরকার বলে মনে করেন বহু নেতা। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে দলের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবিও উঠেছে। কারণ, বাংলাদেশের ‘সংখ্যালঘুদের’ সঙ্গে এপার বাংলার বহু সংখ্যালঘু পরিবারের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও যাতায়াত আছে।

প্রায় চার যুগ পর কালনা শহরে বসল সিপিএমের জেলা সম্মেলন। বছর ৪৬ আগে ১৯৭৭-র ৩০ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭৮-র পয়লা জানুয়ারি পর্যন্ত সম্মেলনটি আয়োজিত হয়। তখন অখণ্ড বর্ধমান জেলার দুর্জয় ঘাঁটি ছিল কালনা। মুখ্যমন্ত্রীর কুর্শিতে জ্যোতি বসু। তিনিই সম্মেলনের শেষ দিনে অঘোরনাথ পার্ক স্টেডিয়ামে প্রকাশ্য সভায় বক্তব্য পেশ করেছিলেন। সাড়ে ৪ দশক পরে কালনা শহরের পুরশ্রী সভাগৃহে সম্পন্ন হল সিপিএমের পূর্ব বর্ধমান জেলার তিনদিনের জেলা সম্মেলন। যখন শুধু রাজ্যপাটই নয়, কালনাতেও বামফ্রন্টের অন্যতম শরিক সিপিএমের জনসমর্থন তলানিতে। কালনা মহকুমার ৪ বিধানসভা, ৫ পঞ্চায়েত সমিতি ও কালনা পুরসভা সবই এখন তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণে। সাড়ে চারশ প্রতিনিধি যোগ দিয়েছিলেন সম্মেলনে। কালনা বাসস্ট্যান্ডে প্রকাশ্য সমাবেশে বক্তব্য পেশ করেন সিপিএমের রাজ্য কমিটির সম্পাদক ও দলের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!