- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুন ২৮, ২০২৪
ফুটপাথের জবর দখল উচ্ছেদে নামলো টাকি পুরসভা। নদী দখল করে হোটেল, রেস্তোরাঁ ! নীরব পুর কর্তৃপক্ষ
রাজ্য পর্যটন মানচিত্রে উত্তর ২৪ পরগনার টাকি উল্লেখযোগ্য । সারা বছর টাকিতে বহু মানুষ ছুটি কাটাতে আসেন। সেই টাকির রাস্তার ধারে অসংখ্য ছোটে দোকান গজিয়ে উঠেছে। রুজির সন্ধানে বহু বেকার যুবক দোকান দিয়েছেন। তাকে অনেক এলাকায় রাস্তার সংকীর্ণ হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। শুধু রাস্তা নয় টাকির নদীর চরে তৈরি হয়েছে হোটেল। এমনকী নদী দখল করেও হোটেল তৈরি করা হয়েছে। পুর প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই ফুটপাথের জবর দখল উচ্ছেদে নামলো টাকি পুরসভাও। এদিন হাসনাবাদ থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে টাকির পুরপ্রধান, উপ পুরপ্রধান ও কাউন্সিলররা রাস্তার পাশে ফুটপাথ দখল করে হকার ও দোকানদারদের দোকান সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন । রাস্তার ধার দখল মুক্ত করতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর দুদিন ধরে মাইকে প্রচার হয় টাকি পুরসভার বিভিন্ন এলাকায়। ফুটপাথ দখল করে যারা ব্যবসা করছে তাদেরকে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু তাতে কোন কাজ না হওয়ায় আজ টাকি পুরসভার চেয়ারম্যান সোমনাথ মুখার্জি, উপ পুরপ্রধান ফারুক গাজি ও কাউন্সিলাররা হাসনাবাদ থানার পুলিশের সহযোগিতায় টাকি পুর এলাকার হাসনাবাদ বাস স্ট্যান্ড সহ টাকির বিভিন্ন ওয়ার্ডে ফুটপাথ দখল মুক্ত করার অভিযানে নামেন।
পাশাপাশি পুরসভা থেকে এটাও ঘোষণা করা হয়, যাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে এক মাসের মধ্যে পুরসভায় লিখিত আবেদনপত্র জমা দিতে । এবং সেই আবেদনপত্র অনুযায়ি উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন দেওয়া হবে । টাকির পুরপ্রধান সোমনাথ মুখার্জি বলেন, আমরা আগে মাইকে বলেছি কিন্তু তাতে অনেকে পুরসভার নির্দেশ উপেক্ষা করছেন বলে আজ আমরা রাস্তায় নেমেছি। এরপর আমরা আর কাউকে সময় দেব না। রাস্তার ধার থেকে সরিয়ে দেব।’ তিনি বলেন, ‘তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কখনোই চান না কারো পেটের ভাত মারতে। তাই আমরা ঠিক করেছি পুরসভা থেকে ফর্ম দেওয়া হবে। আবেদনকারীদের আমরা পুনর্বাসন দেওয়া হবে।’ তবে নদী মধ্যে হোটেল , রেস্তোরাঁ গুলির কী হবে সে নিয়ে নীরব পুর কর্তৃপক্ষ।
❤ Support Us






