Advertisement
  • বি। দে । শ
  • ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬

নাগরিকদের আর্থিক স্বস্তি দিতেই শুল্ক নীতি, মার্কিন আদালতের রায়ে সাফাই ট্রাম্পের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
নাগরিকদের আর্থিক স্বস্তি দিতেই শুল্ক নীতি, মার্কিন আদালতের রায়ে সাফাই ট্রাম্পের

মার্কিন নাগরিকদের আর্থিক স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যেই বিদেশি পণ্যের উপর শুল্ক (ট্যারিফ) আরোপ করা হয়েছে— এমনটাই দাবি করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কংগ্রেসে বার্ষিক ‘স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে তিনি বলেন, বিদেশি রাষ্ট্রগুলির থেকে আদায় করা শুল্ক ভবিষ্যতে দেশের আধুনিক আয়কর ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে এবং সাধারণ আমেরিকানদের উপর থেকে করের চাপ কমাতে সাহায্য করবে।

সম্প্রতি শুল্ক নীতি নিয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। গত শুক্রবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের বিভিন্ন দেশের উপর আরোপিত ট্যারিফকে বেআইনি ঘোষণা করে। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস মন্তব্য করেন, ট্যারিফ আরোপের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট নিজের সাংবিধানিক ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন। ৯ বিচারপতির বেঞ্চে হওয়া শুনানিতে ৬ জন বিচারপতি ট্যারিফের বিপক্ষে রায় দেন, আর ৩ জন বিচারপতি ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের পক্ষে মত দেন।

শীর্ষ আদালতের এই রায়কে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প স্পষ্ট করেন, তাঁর নীতি সম্পূর্ণভাবে নাগরিক কল্যাণকেন্দ্রিক। তাঁর বক্তব্য, বিদেশি দেশগুলি যে শুল্ক দেবে, তা থেকে অর্জিত আয় আমেরিকার জনগণের আর্থিক বোঝা লাঘব করবে এবং আয়কর ব্যবস্থাকে নতুন রূপ দিতে সহায়ক হবে। প্রেসিডেন্ট পদে বসার পর থেকেই ‘ট্যারিফ’ ছিল ট্রাম্পের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক অস্ত্র।

তবে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরেও ট্রাম্প দুই দফায় নতুন করে ১৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপের ঘোষণা করেছিলেন এবং সতর্কবার্তাও দেন— রায় নিয়ে যেন ‘অতিরিক্ত খেলা’ না করা হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত প্রশাসন কিছুটা পিছু হটেছে। মঙ্গলবার ইউনাইটেড স্টেটস কাস্টমস এন্ড বর্ডার প্রটেকশন জানায়, ১৫ শতাংশ নয়, আমদানি পণ্যের উপর ১০ শতাংশ হারে ট্যারিফ কার্যকর করা হবে। ২৪ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকেই এই অতিরিক্ত শুল্ক কার্যকর হচ্ছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!