- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- মে ১৫, ২০২৩
৩৬,০০০ নয়, সংখ্যাটা ৩০১৮৫ । সংশোধনীর আবেদন মামলাকারীদের আইনজীবীর। শুনানি মঙ্গলবার
মামলাকারীদের সংশোধনীর আবেদনে একধাক্কায় প্রায় ৬,০০০ কমে গেল বাতিল হওয়া চাকরির সংখ্যা । কয়েকদিন আগে, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কলমের খোঁচায় প্রাথমিক শিক্ষক পদে কর্মরতদের মধ্যে অনেকে চাকরি হারিয়েছিলেন।অভিযোগ, অপ্রশিক্ষিত অবস্থায় তাঁরা চাকরির নিয়োগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সে রায়ে যে সংখ্যার কথা বলা হয়েছে তাতে ভুল রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি । টাইপোগ্রাফিকাল কারণে এমন ভুল হয়েছে, বলে তিনি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার এ মামলার শুনানি হতে পারে।
২০১৬ সালের প্রাথমিকে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন প্রিয়ঙ্কা নস্কর-সহ ১৪০ জন চাকরিপ্রার্থী। তাঁদের আইনজীবী তরুণজ্যোতি আদালতে জানান, মামলাকারীদের থেকে কম নম্বর পেয়ে প্রশিক্ষণহীন অনেকে চাকরি পেয়েছিলেন। এ অভিযোগের সারবত্তা কতটা তা খুজতে গিয়ে ইন্টারভিউ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, নিয়ম অনুযায়ী যে অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট নেওয়ার কথা ছিল বহু ক্ষেত্রে তা নেওয়া হয়নি। বিভিন্ন জেলায় যাঁরা ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন, তাঁদের তলব করে গোপন জবানবন্দি নথিবদ্ধ করা হয়। মূলত তার ভিত্তিতেই চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
২০১৬ সালে প্রাথমিকে নিয়োগ হয়েছিল মোট ৪২,৫০০। এর মধ্যে প্রশিক্ষিত ৬৫০০ জনের নিয়োগ সংশয়াতীত। শুক্রবার বাকি ৩৬ হাজার প্রশিক্ষণহীন প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল করা হয়। বিষয়টি নিয়ে তীব্র বিতর্ক দেখা দেয়। সভাপতি গৌতম পাল সেদিনই এ রায় নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন, আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের কথা। তাই প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছে। আগামীকাল তারও শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
❤ Support Us





