- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ২৪, ২০২৪
আদিবাসী তরুণী খুনে অভিযুক্ত গ্রেফতার
নারীর উপর হিংসা রুখতে ১৪ আগস্ট রাজ্যেজুড়ে রাত দখলে নামে বঙ্গনারীর দল। সেই রাতেই নৃশংস খুন হয় পূর্ব বর্ধমানের বৈকুন্ঠপুর ২নং পঞ্চায়েতের নান্দুর ঝাঁপানতলার আদিবাসী তরুণী প্রিয়াঙ্কা হাঁসদা। বাড়ির অদূরে গলার নলিকাটা অবস্থায় উদ্ধার হয় তরুণীর দেহ। ঘটনার ৯ দিন বাদে অভিযুক্তকে পাকড়াও করল পুলিশ। ধৃত অজয় টুডু পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় আত্মগোপন করে ছিল। সেখান থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ জানান, ‘শনিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হবে। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে ঘটনার পুনর্নিমাণ করা হবে। যে অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয়েছিল, সেই অস্ত্র উদ্ধার করা হবে।’
প্রাথমিক জেরায় ধৃত দোষ কবুল করেছে বলে পুলিশ সূত্রের খবর। জানা গেল, অভিযুক্তকে ধরার জন্য প্রথমে ৯ জনের একটা দল গঠন করা হয়েছিল। পরে দলের সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ২১ জন করা হয়। রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি ভিনরাজ্যেও হানা দেয় পুলিশ। ধৃতের সন্ধানে বেঙ্গালরুতে ঘাঁটি গাড়ে পুলিশ। কারণ ধৃত বেঙ্গালরুতে কাজ করত। নিহত তরুণীও বেঙ্গালরুতে একটি শপিং মলে কাজ করত। পুলিশ জানিয়েছে, শুরুতে ফেসবুকের মাধ্যমে দুজনের আলাপ। ধীরে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিছুদিন ধরে কোনও কারণে দুজনের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না। আগস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকে তা চরমে ওঠে। তরুণী নান্দুরে নিজের বাড়িতে চলে আসে। ১৪ আগস্ট বিকেলের দিকে নান্দুরে এসে ঘাঁটি গাড়ে অজয়। রাতে ফোন করে তরুণীকে ডাকে অজয়। তারপরই খুনের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, প্রমাণ লোপাট করতে অজয় তরুণীর মোবাইল ফোনটা নিয়ে যায়। তারপর দুজনেরই মোবাইল থেকে সিম খুলে রাখে। পুলিশ যাতে হদিশ না পায়, সেজন্য ফোন ব্যবহার পর্যন্ত বন্ধ রাখে। পুলিশের ধারণা ছিল, আততায়ী বেঙ্গালরুতে গা-ঢাকা দিয়েছে। শেষমেশ পাঁশকুঁড়া থেকে তাকে জালে তুলল পুলিশ।
❤ Support Us






