Advertisement
  • দে । শ
  • ডিসেম্বর ১৫, ২০২২

অ্যাসিড হামলায় অভিযুক্তরা পুলিসি হেফাজতে। অনলাইনেই অ্যাসিডের বোতল বিক্রি নিয়ে নোটিশ মহিলা কমিশনের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
অ্যাসিড হামলায় অভিযুক্তরা পুলিসি হেফাজতে। অনলাইনেই অ্যাসিডের বোতল বিক্রি নিয়ে নোটিশ মহিলা কমিশনের

অনলাইনে অ্যাসিড কিনেই কিশোরীকে মারবার ছক কষা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার দিল্লী পুলিসের জেরায় স্বীকার করে অভিযুক্তরা।

এদিন পুলিসের জেরায় তিন অভিযুক্তের অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত সচিন আরোরা জানিয়েছে অ্যামাজন ও ফ্লিপকার্টে তারা অ্যাসিডের জন্য খোঁজ করেছিল। পরে ফ্লিপকার্টে অর্ডার দিলে তারা অ্যাসিডের ডেলিভারি করে ।পেমেন্ট তারা করে একটি ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে। ঘটনাটি জানতে পেরে দিল্লীর মহিলা কমিশন এই দুই অনলাইন শপিং সংস্থাকে অ্যাসিড বিক্রির  কারণ দেখানোর জন্য নোটিশ পাঠায়। প্রসঙ্গত ভারতে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাসিড বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পর কিভাবে এত সহজে অ্যাসিড বিক্রি হয় তা নিয়ে নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। দিল্লি মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন স্বাতী মালিওয়াল অ্যাসিড বিক্রির ব্যাপারে তার অসন্তোষ প্রকাশ করে জানিয়েছেন এটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্য জনক যে এত সুপারিশের পরেও অ্যাসিড খুচরো বাজারে বিক্রি  বন্ধ করা যাচ্ছে না। অনিয়ন্ত্রিতভাবে খোলা বাজারে অ্যাসিড বিক্রি হচ্ছে ।বাজারে সবজি বিক্রির মত অ্যাসিডও সহজলভ্য।

দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী  স্কুলে যাওয়ার পথে অভিযুক্তদের অ্যাসিড আক্রমণের শিকার হয়। বুধবার দক্ষিণ পশ্চিম দিল্লীর দ্বারকায় এই ঘটনাটি ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় দুজন বাইক আরোহী পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তার মুখে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারে। প্রবল যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকে মেয়েটি। পরে দিল্লীর সফদরজঙ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। অ্যাসিডে তার মুখের ৮% পুড়ে যায়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন প্রথমে কিছুটা জ্বর জ্বর ভাব থাকলেও এখন সে জ্বর থেকে মুক্ত। তার চিকিৎসা চলছে। শুধু মুখ নয় তার চোখের ওপর এই আক্রমণের প্রভাব পড়েছে। চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞরা তার চোখের অবস্থার উন্নতির জন্য চেষ্টা করছেন।

অ্যাসিড আক্রমণের পিছনের কারণ সম্পর্কে পুলিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে দিল্লীর অ্যাসিড আক্রমণের শিকার নাবালিকা আর অভিযুক্ত সচিন একই এলাকায় থাকত। সেপ্টেম্বর পর্যন্তও দুজনের মধ্যে ভাল সম্পর্কই ছিল। কয়েক মাস আগে ১৭ বছরের নাবালিকা কিশোরী অভিযুক্তর সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেয়। তারপর সেই ক্ষোভেই অ্যাসিড মারবার পরিকল্পনা অভিযুক্ত সচিনের  মাথায় আসে বলে ধারণা দিল্লী পুলিসের স্পেশাল কমিশনার অফ পুলিশ (আইন-শৃঙ্খলা) সাগর প্রীত হুদার।


❤ Support Us
error: Content is protected !!