- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- এপ্রিল ৫, ২০২৩
আদানিদের ‘শেয়ার কেলেঙ্কারি’। যৌথ সংসদীয় তদন্তের দাবিতে কাল দিল্লিতে বিরোধীদের জোটবদ্ধ মিছিল
আদানিদের শেয়ার কেলেঙ্কারি নিয়ে যৌথ সংসদীয় তদন্তের দাবিতে একজোট বিরোধীরা। রাজ্যসভার সাংসদ মল্লিকার্জুন খাড়্গের নেতৃত্বে বৈঠকে মিলিত হয়ে বিরোধী নেতারা স্থির করেছেন, আগামীকাল সংসদ ভবনের সামনে তাঁরা সমবেত হবেন। সেখান থেকে তাঁরা বিজয় চক পর্যন্ত ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা নিয়ে মিছিল করবেন।
বুধবারের বৈঠকে কংগ্রেসের নেতারা ছাড়াও হাজির ছিলেন সিপিআই, সিপিআই(এম), ডিএমকে, আরএসপি, আইইউএমএল, আরজেডি, জেডি(ইউ), সমাজবাদী পার্টি, শিব সেনা ও আম আদমি পার্টির প্রতিনিধিরা। বাদ যায়নি তৃণমূল। কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে যাবতীয় মত বিরোধকে দূরে সরিয়ে রেখে নির্দিষ্ট ইস্যুতে বিরোধী ঐক্যে সামিল হয়েছে ঘাসফুল শিবির।
বৃহত্তর প্রতিবাদের আগে বুধবার রাহুল গান্ধী সাংসদ পদ বাতিল ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন খাড়গে। আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজুর অভিযোগের প্রত্যুত্তরে জানিয়েছেন, শতাব্দী প্রাচীন দল বিচার ব্যবস্থা কেন কারোর ওপরই চাপ সৃষ্টিতে বিশ্বাস করে না। কিন্তু আদালতের ন্যায় বিচার নিয়ে এখন সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ দলিত চিকিৎসককে হত্যার অভিযোগে বিজেপি সাংসদ তিন বছরের জন্য কারাবাসের সাজা পেলেও তাঁর সদস্য পদ বাতিল হয় না। কিন্তু আদালতের রায় ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাহুল গান্ধীকে সাংসদ পদ হারাতে হয়। তাই সুবিচার পেতে দীর্ঘ লড়াই ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই।
ইতিমধ্যে, ইডি ও সিবিআইএর মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার শীর্ষ আদালতে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ ১৪ বিরোধী দলের আবেদনের প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছে, নির্দিষ্ট উদাহরণের ভিত্তিতে শুনানি চলতে পারে। কিন্তু সামগ্রিক ভাবে তদন্তকারী সংস্থার অপব্যবহার নিয়ে মামলা চালানো সম্ভব নয়। এমতাবস্থায় ভারতের গণতন্ত্রকে বিপন্নতার হাত থেকে রক্ষা করতে বিরোধীদের যৌথ আন্দোলনের ওপর ভরসা দেখাছেন। কিন্তু নিজেদের মধ্যেকার অন্তর্দ্বন্দ্ব বিরোধীদের যূথবদ্ধতার স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড়ো প্রতিবন্ধক। সামনের বছর লোকসভা ভোট, তাই যাবতীয় বাধাকে দূরে সরিয়ে রেখে বৃহত্তর বিজেপি বিরোধী ঐক্যমঞ্চ গড়ে তুলতে না পারলে গেরুয়া শিবিরের অশ্বমেধের রথ আটকানো কার্যত অসম্ভব
❤ Support Us






