- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ৩, ২০২৪
সন্দেশখালির উন্নয়ন নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে বৈঠক করলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু,
মুখ্যমন্ত্রী নিজে না এলেও তাঁর নির্দেশে সুজিত বসুর নেতৃত্ব প্রতিনিধি দল সন্দেশখালি ঘুরে গেলেন। সন্দেশখালির উন্নয়ন নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে বৈঠক করলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী। বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক সুকুমার মাহাতো, মহকুমা শাসক আশিস কুমার, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ একেএম ফারহাদ প্রমুখ। ছিলেন সন্দেশখালি ১ ও ২ ব্লকের বিডিও , পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, ১৬ টি পঞ্চায়েতের প্রধান, নির্মান সহায়করা। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এই বৈঠক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সন্দেশখালির উন্নয়নের ব্যাপারে বিশেষ নজর রয়েছে। লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি সন্দেশখালি নিয়ে যেভাবে লাগাতার কুৎসা, মিথ্যাচার করে সারা দেশের কাছে বাংলা বদনাম করা চেষ্টা করেছে তাতে মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত ক্ষুব্ধ এবং উদ্বিগ্ন। তিনি নিয়মিত সন্দেশখালি নিয়ে খোঁজখবর রাখছেন। লোকসভা ভোটে সন্দেশখালি নিয়ে বিজেপি যে নাটক তৈরি করেছিল মানুষ তার যোগ্য জবাব দিয়েছে। বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র , যে কেন্দ্রে মধ্যে সন্দেশখালি অন্যতম সেখান থেকে তৃণমূলের হাজি নুরুল ইসলাম ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার ভোটে জিতেছেন। এবার নদীমাতৃক সন্দেশখালির নদী বাঁধ, জেটি ঘাট, রাস্তা, পানীয় জল, বিদ্যুৎ স্বাস্থ্য পরিষেবা , স্কুল গুলির পরিকাঠামো সহ অন্যান্য জরুরী পরিষেবা নিয়ে কোমর বেঁধে নামল প্রশাসন। এদিন মন্ত্রী সুজিত বসু , জেলা সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী, বিধায়ক সুকুমার মাহাতো উন্নয়ন নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে যে বৈঠক করলেন তার ভিত্তিতে রিপোর্ট তৈরি করা হবে। সেই রিপোর্ট পেশ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখবেন। বৈঠক শেষে সুজিত বসু বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই আজ আমরা এসেছি । মুলত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হল। যে সব প্রকল্পগুলিতে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে সেগুলি কতটা কী কাজ হল তার পর্যালোচনা হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পগুলি যাতে আরও দ্রুততার সঙ্গে করা যায় সেটা এবার দেখা হবে।’ তিনি বলেন, ‘লোকসভা নির্বাচনের আগে একটা ইস্যু তৈরি করে সারা দেশে প্রচার করেছিল বিজেপি। কিন্তু মানুষ তাতে সাড়া দেয়নি। লোকসভা ভোটের ফলাফলই তার প্রমান।’ সুজিত বলেন, সন্দেশখালিতে কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা থাকতে পারে কিন্তু যেভাবে রটনা হয়েছিল তার সঙ্গে কোন প্রমান নেই। মানুষ মমতা ব্যানার্জির সঙ্গেই আছেন। এখন আমাদের কাজ এই দুটো ব্লকের উন্নয়নতে তরান্বিত করা।’ জেলা সভাধিপতি নরায়ণ গোস্বামী বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ নজরে রয়েছে। তাঁর নির্দেশ মেনে মন্ত্রী সুজিত বসু এবং জেলা সভাধিপতি হিসেবে আমি প্রশাসনিক ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা করলাম। আমাদের এখানে কিছু ঘাটতি আছে, তার কারণ নদী মাতৃক এলাকা, নিচু জমি, ১৬ পঞ্চায়েত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছ। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মত দ্রুততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করা হবে। ই পোর্টালের মাধ্যমে সব কাজে স্বচ্ছতার সঙ্গে কোন আপোস করা হবে না। তিনি বলেন, ‘পরিযায়ী শ্রমিকদের কী ভাবে এখানে বেশি করে কাজ দেওয়া যায় সে ব্যাপারেও কথা হয়েছে। এক মাস পরে আবার রিভিউ মিটিং করা হবে।’ বিধায়ক সুকুমার মহাতো বলেন, সন্দেশখালিতে আর কোন অশান্তি নেই। এখন আমরা উন্নয়নের ওপরে জোর দেব। সে বিষয়ে আজকের বৈঠক ফলপ্রসু হয়েছ।
❤ Support Us






