Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুন ২৭, ২০২৪

সংখ্যাতত্ত্বে পদ্ম তোষণ, রাষ্ট্রপতির ভাষণের সমালোচনায় মহুয়া

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
সংখ্যাতত্ত্বে পদ্ম তোষণ,  রাষ্ট্রপতির ভাষণের সমালোচনায় মহুয়া

কেন্দ্রীয় আইনসভার যৌথ অধিবেশনে আজ তাঁর বক্তব্য পেশ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর সম্পূর্ণ ভাষণ জুড়ে ছিল সরকারের প্রতি অকুণ্ঠ প্রশংসা। তিনি বলেন, তৃতীয়বারের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে এ সরকার আবার ফিরে এসেছে। জনগণ জানেন, এই সরকারই তাঁদের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে সক্ষম। তবে রাষ্ট্রপতির এহেন বক্তব্যকেই কটাক্ষ করলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র।

সংসদ কক্ষের বাইরে দাঁড়িয়ে সংবাদ মাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সরকারের লিখে দেওয়া বক্তব্যই পড়ে থাকেন । বর্তমান সরকারের সমস্যা হল,তারা ৩০৩ থেকে ২৪০(যা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য ম্যাজিক ফিগার নয়) আসনে নেমে এসেছে এটাই বুঝতে পারছেনা।‘ তিনি জানিয়েছেন, যে লেখাটি রাষ্ট্রপতিকে পাঠ করানোর জন্য তৈরি করা হয়েছিল তা লেখা হয়েছিল আগের ৩০৩ আসনের ওপর ভিত্তি করেই। এটি একটি সংখ্যালঘু সরকার, অথচ রাষ্ট্রপতির বক্তব্য , এই সরকার নাকি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে !‘

রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে, উত্তর পূর্ব ভারতের পরিস্থিতির কথা উচ্চারিত হয়েছে। যদিও মণিপুর নিয়ে একটি বাক্যও তিনি খরচ করেননি। উত্তর-পূর্ব ভারতে শান্তি রক্ষার কাজে সরকারের উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি বুলেট ট্রেন করিডরের কাজ চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।এগুলি ছাড়াও আজ রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ নিধি, দেশের অর্থনীতি, নারী ক্ষমতায়ন ,ন্যায় সংহিতা(যা আগামী  ১ জুলাই থেকে চালু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি),সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণের মতো প্রসঙ্গও।প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অনভিপ্রেত ঘটনাও তাঁর বক্তব্যে ঊঠে এসেছে । তিনি জানিয়েছেন, তৃতীয়বারের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে এ সরকার আবার ফিরে এসেছে। জনগণ জানেন , এই সরকারই তাঁদের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে সক্ষম।  যদিও এই কথা উচ্চারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিরোধীদের তরফ থেকে প্রতিবাদের সুর ভেসে আসে।

একটি বিতর্ককে কেন্দ্র করে মহুয়া মৈত্র আগেরবার সংসদ থেকে বিতাড়িত হয়েছিলেন। তাঁর সাংসদ পদও কেড়ে নেওয়া হয়। এবার আবার ভোটে জিতে ফিরেছেন তাঁর পুরনো জায়গায়। ফলে সরকারকে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেওয়ার সুযোগও তাঁর হাতে আছে।এতদিন প্রায় বিরোধী শূন্য লোকসভায় একাই রাজ করেছে শাসক দল নিজেপি। এবারে তারা জোট-নির্ভর। অপরদিকে বিরোধী শক্তি রূপে ইন্ডিয়া জোটের নব উত্থান হয়েছে।  সরকারকে এবারে পদে পদে বিব্রত করার অল ‘আউট স্ট্রাটেজি’ নিয়ে প্রথম দিন থেকেই সক্রিয় বিরোধীরা। শুরুর দিন থেকেই নিট ও নেট কেলেঙ্কারি , রেল দুর্ঘটনা প্রভৃতি যাবতীয় ইস্যুতে জর্জরিত  এনডিএ জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী বছর তিয়াত্তরের নরেন্দ্র মোদির কপালে চিন্তার ভাঁজ কি স্পষ্ট হচ্ছে!

  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!