- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুন ১২, ২০২৬
বিস্ফোরক কাকলি, তৃণমূলের জঙ্গি যোগ, তদন্তের দাবিতে চিঠি !
তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবার দলের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে এনে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন । তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি উগ্রপন্থী সংগঠনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগাযোগ ছিল । পাশাপাশি, প্রতিবেশী দেশের নির্বাচিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রেও তৎকালীন শাসকদলের কিছু ব্যক্তির ভূমিকা থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি ।
এই অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে কাকলি ঘোষ দস্তিদার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং দেশের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করকে একটি বিস্তারিত চিঠি পাঠিয়েছেন ।
সম্প্রতি একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের উল্লেখ করে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন । ওই প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ ও সাংবাদিক ইমরানের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি উগ্রপন্থী সংগঠনের যোগাযোগ ছিল । আরও দাবি করা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে আলোচিত চিটফান্ড কেলেঙ্কারির কিছু অর্থ বাংলাদেশে পৌঁছেছিল এবং সেই অর্থ প্রতিবেশী দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করার কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে ।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, তৎকালীন রাজ্য সরকারের আমলে সীমান্ত সুরক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনীয় জমি সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর হাতে সময়মতো তুলে দেওয়া হয়নি, যা জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্বেগের বিষয় বলে দাবি করা হয়েছে ।
এই সমস্ত অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে ধরে কাকলি ঘোষ দস্তিদার তাঁর চিঠিতে লিখেছেন, “অভিযোগগুলি এখনও প্রমাণিত নয় । তবে এগুলি অত্যন্ত গুরুতর এবং দেশের নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সঙ্গে জড়িত । তাই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরি ।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই অভিযোগগুলির কোনও অংশ তদন্তে সত্য প্রমাণিত হলে তা তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় রাজনৈতিক অস্বস্তির কারণ হতে পারে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ইস্যুতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে দলকে নিয়ে আলোচনা চলছে । তার মধ্যেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারের এই অভিযোগ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে ।
তবে উল্লেখ্য, উত্থাপিত অভিযোগগুলির কোনওটিই এখনও সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হয়নি । ফলে বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট তদন্ত ও তথ্যপ্রমাণের অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত ।
❤ Support Us







