- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ১১, ২০২৬
জলজীবন মিশনের বকেয়া ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা মিলবে, কেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর রাজ্যের
দীর্ঘ টানাপোড়েনের অবসান ! রাজ্যের শাসক বদলের পরই ডাবল ইঞ্জিন সরকার রাজ্যে সক্রিয়। ‘জলজীবন মিশন’ প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গের বকেয়া বিপুল অঙ্কের অর্থ অবশেষে পেতে চলেছে রাজ্য সরকার ৷ রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের সঙ্গে রাজ্য সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মউ অর্থাৎ মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং বা মউ খুব শীঘ্রই স্বাক্ষরিত হতে চলেছে ৷ এই চুক্তি সম্পন্ন হলেই রাজ্যের কোষাগারে আসবে প্রায় ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের তরফে এই বিপুল অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে প্রাথমিক সম্মতি দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর।
গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে জলজীবন মিশন প্রকল্পে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ পুরোপুরি বন্ধ ছিল পশ্চিমবঙ্গে। দেশের প্রতিটি গ্রামীণ পরিবারে নলবাহিত পরিশ্রুত পানীয় জলের সংযোগ পৌঁছে দেওয়াই ছিল কেন্দ্রের এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। কিন্তু প্রশাসনিক, পদ্ধতিগত এবং নানা রাজনৈতিক জটিলতায় গত ১৮ মাস ধরে এই খাতের টাকা পায়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। ফলস্বরূপ, রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের বহু প্রকল্পের কাজ মাঝপথেই থমকে গিয়েছিল। অনেক জায়গাতেই পাইপলাইন বসানো হলেও শুধুমাত্র অর্থের অভাবে বাড়ি বাড়ি জলের সংযোগ দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ করা যায়নি। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন গ্রামীণ এলাকার সাধারণ মানুষ, বিশেষত প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দারা।
এই দীর্ঘকালীন জটিলতা কাটাতে সম্প্রতি বিশেষ উদ্যোগী হয় রাজ্য প্রশাসন। জানা গিয়েছে, জট কাটাতে কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের সচিবের সঙ্গে দিল্লিতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের ভারপ্রাপ্ত সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। সেই বৈঠকেই বকেয়া টাকা মেটানোর বিষয়ে সদর্থক আলোচনা হয়েছে ৷
রাজ্য সরকার সূত্রে খবর, কেন্দ্রের তরফে ওই বৈঠকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পের বকেয়া বরাদ্দ পেতে হলে রাজ্যকে একটি বিশেষ সমঝোতাপত্রে সই করতে হবে। রাজ্য সরকার সেই শর্তে রাজি হয়েছে এবং খুব দ্রুত এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে চলেছে ৷ এই চুক্তি স্বাক্ষরের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবেই ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ছাড়ার সম্মতি দিয়েছে কেন্দ্র।
❤ Support Us







