- এই মুহূর্তে মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- নভেম্বর ২৭, ২০২৩
ব্যাটিং বিপর্যয়ে তামিলনাডুর কাছে ভরাডুবি বাংলার
বিজয় হাজারে ট্রফিতে দারুণ গতিতে এগোচ্ছিল বাংলা। তৃতীয় ম্যাচে এসে ছন্দপতন অভিমন্যু ঈশ্বরণদের। শক্তিশালী তামিলনাডুর কাছে হারতে হল ৫ উইকেটে। ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্যই বাংলার এই পরাজয়। বোলিং সহায়ক পরিবেশে নিজেদের একেবারেই মেলে ধরকে পারেননি অভিমন্যু ঈশ্বরণ, সুদীপ ঘরামি, অনুষ্টুপ মজুমদাররা।
বৃষ্টির জন্য মুম্বইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামের মাঠ ভিজে ছিল। সেই কারণে এদিন ম্যাচ শুরু হতে বেশ খানিকটা দেরি হয়। বোলিংয়ের আদর্শ পরিবেশে টস জিতে বাংলাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন তামিলনাডুর অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। সকালের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ দারুণভাবে কাজে লাগান তামিলনাডুর দুই জোরে বোলার টি নটরাজন ও সন্দীপ ওয়ারিয়র।
বাংলাকে প্রথম ধাক্কা দেন একসময় ভারতীয় দলের হয়ে খেলা টি নটরাজন। ইনিংসের তৃতীয় বলেই তুলে নেন অভিমন্যু ঈশ্বরণকে (১)। এদিন সুদীপ ঘরামির পরিবর্তে আকাশ দীপকে (০) তিন নম্বরে পাঠিয়েছিল বাংলার টিম ম্যানেজমেন্ট। তাঁকেও ফেরান নটরাজন। এরপর সুদীপ ঘরামিকে (৪) তুলে নেন সন্দীপ ওয়ারিয়র। ৪ ওভারের মধ্যেই ১২ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলা। অভিষেক পোড়েল (১৪), অনু্ষ্টুপ মজুমদার (১১), সাকির গান্ধী (১৯), শাহবাজ আমেদরাও দলকে ভরসা দিতে পারেননি (২৯) ২৩.৪ ওভারে মাত্র ৮৪ রানে গুটিয়ে যায় বাংলা।
জয়ের জন্য ৮৫ রানের লক্ষ্য একেবারেই কঠিন ছিল না তামিলনাডুর কাছে। চতুর্থ ওভারে তামিলনাডুকে প্রথম ধাক্কা দেন আকাশদীপ। তুলে নেন সাই সুদর্শনকে (৮)। পরের ওভারেই বাবা অপরাজিতকে (৪) ফিরিয়ে বাংলাকে আশার আলো দেখিয়েছিলেন ইশান পোড়েল। এরপর বিজয় শঙ্করকে (২) তুলে নিয়ে তামিলনাডুকে চাপে ফেলে দেন মহমদ কাইফ। কিন্তু এন জগদীশন (৩০) দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে দেন। দীনেশ কার্তিক (৩) রান না পেলেও সমস্যা হয়নি তামিলনাডুর। ১৯.১ ওভারে ৮৫/৫ রান তুলে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। বাংলার হয়ে ইশান পোড়েল ও মহম্মদ কাইফ ২টি করে উইকেট নেন। ১টি উইকেট নেন আকাশ দীপ।
❤ Support Us






