Advertisement
  • দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
  • মে ২৪, ২০২৩

উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের শুভরাংশু সর্দার । পাশের হারে শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর, দশম স্থানে কলকাতা । প্রথম দশে ৮৭

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের শুভরাংশু সর্দার । পাশের হারে শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর, দশম স্থানে কলকাতা । প্রথম দশে ৮৭

২০২৩-এর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ হল। কলকাতাকে পিছনে ফেলে জেলার জয়জয়কার। পাশের হারে এ বারেও শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা।  ৪৯৬ নম্বর পেয়ে প্রথম নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের শুভ্রাংশু সর্দার। দ্বিতীয় স্থানে দু’জন। বাঁকুড়ার সুষমা খান এবং উত্তর দিনাজপুরের আবু সামা। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫ (৯৯%)। ৪৯৪ নম্বর পেয়ে তৃতীয় স্থান দখল করেছেন চারজন। চন্দ্রবিন্দু মাইতি (তমলুক), অনুসূয়া সাহা (বালুরঘাট), পিয়ালী দাস (আলিপুরপদুয়ার), শ্রেয়া মল্লিক (বালুরঘাট)। ৪৯৩ নম্বর পেয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন শ্রীজিতা বসাক (দক্ষিণ দিনাজপুর), নরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (নরেন্দ্রপুর), প্রেরণা পাল (উত্তর ২৪ পরগনা)। পঞ্চম স্থানাধিকারীরা পেয়েছেন ৪৯২ নম্বর। এই স্থানে রয়েছেন কৌস্তভ কুণ্ডু  (হুগলি), ঋষিতা সিনহা মহাপাত্র (বোলপুর), দীপ্তার্ঘ্য দাস (পূর্ব মেদিনীপুর), অঙ্কিতা ঘড়াই (পুরুলিয়া)।উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশে রয়েছেন ৮৭ পড়ুয়া, হুগলি থেকে ১৮ জন প্রথম দশে আছেন। কলকাতাকে পিছনে ফেলে মাধ্যমিকের মতো উচ্চমাধ্যমিকের জেলার জয়জয়কার। তবে কলকাতা উচ্চমাধ্যমিকে পাশের হারের তালিকায় ১০ নম্বরে আছে। গত বছর মেধা তালিকায় ছিল  ২৭২ জন, এই বছর মেধা তালিকায় আছেন ৮৭ জন।

এছাড়া এবছর উর্দুভাষীদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন মহম্মহ আসান। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৬। তিনি ক্যালকাটা মাদ্রাসার পড়ুয়া। নেপালিভাষীদের মধ্যে স্নেহা নেপাল ৪৬৫ পেয়ে প্রথম হয়েছেন। তিনি কালিম্পংয়ের পড়ুয়া। এছাড়া সাঁওতালিতে প্রথমস্থানে আছেন তিনজন। তাঁরা হলেন- বাঁকুড়ার বিবেক সোরেন, ঝাড়গ্রামের মৌসুমি টুডু ও সরস্বতী বাসকে।

চলতি বছরে ১৪ মার্চ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল, শেষ হয় ২৭ মার্চ পর্যন্ত। ৫৭ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ হল। উচ্চ মাধ্যমিকে এ বছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮ লক্ষ ৫২ হাজার, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার বেশি। উচ্চ মাধ্যমিকের পাশের হার ৮৯.২৫ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৮ লক্ষ ৫২ হাজার ৪৪৪ জন। পরীক্ষায় বসেছিলেন ৮ লক্ষ ২৪ হাজার ৮৯১ জন। পাশ করেছেন ৭ লক্ষ ৩৭ হাজার ৮০৭ জন। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য সাংবাদিক সম্মেলনে এই তথ্য জানান। চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানান, এ বছর যাঁরা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছেন, তাঁরা এই প্রথম বড় পরীক্ষায় বসছেন। কারণ কোভিড পরিস্থিতির জন্য এঁরা ২০২১-এর মাধ্যমিক দিতে পারেননি।

চিরঞ্জীববাবু জানান, আগামী বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা ১৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৯ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে। দুপুর ১২টা থেকে ৩টে ১৫ পর্যন্ত চলবে পরীক্ষা।৩১ মে থেকে ৫১টি সেন্টার থেকে স্কুলের প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেওয়া হবে মার্কশিট। সেদিনই পড়ুয়াদের হাতেও তুলে দেওয়া হবে মার্কশিট।

এবার উচ্চমাধ্যমিকে ২ লাখ ৭৩ হাজার বা ৩৮ শতাংশ পড়ুয়া পেয়েছেন ৬০ শতাংশ বা তার বেশি। এবছর ৮৯.২৫ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাশ করেছেন। ছেলেদের মধ্যে পাশের হার ৯১ শতাংশ। মেয়েদের মধ্যে পাশের হার ৮৭ শতাংশ। জেলা ভিত্তিক পাশের হারে সবথেকে বেশি পূর্ব মেদিনীপুর। মোট ১১ জেলায় পাশের হার ৯০ শতাংশের বেশি। তালিকায় কলকাতা ১০ নম্বরে রয়েছে।ছাত্রের তুলনায় উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষয় ছাত্রীদের সংখ্যা এবার ১৪.৮ শতাংশ বেশি ছিল।

এবার খাতা রিভিউয়ের জন্য আবেদন করা যাবে ৩১ মে থেকে। অনলাইনেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।  রেজাল্ট দেখা যাবে wbresults.nic.in, wbchse.nic.in – ওয়েবসাইটে।

উচ্চমাধ্যমিকের এই ফলের প্রবণতা প্রমাণ করে রাজ্যের জেলায় শিক্ষা বিস্তারে রাজ্য সরকার সদর্থক ভূমিকা নিয়েছে। সাধারণত মাধ্যমিকে জেলার সাফল্য বেশি থাকলেও উচ্চমাধ্যমিকে জেলার চাইতে কলকাতা এগিয়ে থাকে পাশের হরে। তবে সেই পরিসংখ্যান বলছে কলকাতা এবার ১০ম স্থানে রয়েছে পাশের হারে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!