Advertisement
  • দে । শ
  • মার্চ ১০, ২০২৬

গুজরাটে নির্যাতিত কালনার কিশোর, সহায়তা রাজ্যের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
গুজরাটে নির্যাতিত কালনার কিশোর, সহায়তা রাজ্যের

গুজরাটে অকথ্য নির্যাতনের শিকার হয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা কিশোরের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের উদ্যোগে কালনার সুলতানপুর পঞ্চায়েতের উপলতি গ্রামের কিশোর গণেশ দুর্লভকে প্রতি মাসে ৪ হাজার টাকা অর্থসাহায্যের ব্যবস্থা হল। সেই টাকায় গণেশের লেখাপড়া ও আনুষঙ্গিক খরচ হবে। উল্লেখ্য যে, সংসারের অভাব মেটাতে লেখাপড়ায় ইতি টেনে গুজরাটে গিয়েছিল বছর তেরর কিশোর গণেশ দুর্লভ। সেখানে একটি অলঙ্কার তৈরির কারখানায় কাজে লেগে অকথ্য নির্যাতনের শিকার হয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসে। খবর পেয়ে  গণেশ দুর্লভের পাশে দাঁড়ায় পুলিশ-প্রশাসন।

নিজে কালনা মহকুমা হাসপাতালে গিয়ে গণেশের চিকিৎসার তত্ত্বাবধান করেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। গণেশকে যে বা যারা গুজরাটে নিয়ে গিয়েছিল, সে ব্যাপারে পুলিশ-প্রশাসনকে তৎপর হতে বলেন। এরপরই মাঠে নামে পুলিশ প্রশাসন। গণেশ দুর্লভকে মারধরের অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ গণেশ ও আরেক পরিযায়ী শ্রমিককে ফিরিয়ে আনে।

জানা গেল, জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হতদরিদ্র পরিবারগুলিকে অর্থের টোপ দিয়ে তাদের খুদে সন্তানদের ভিনরাজ্যে পাঠানোর জন্য সেখানকার ব্যবসাদাররা ‘আড়কাঠি’ নিয়োগ করেন। এই আড়কাঠিরাই গরিব পরিবারগুলিকে ‘টার্গেট’ করে। লেখাপড়ায় অকালে ইতি টেনে শিশুশ্রমে লেগে পড়ে বহু নাবালক, কিশোর, তরুণদল। শিশুশ্রমেই অমানবিকতা শেষ হয় না। প্রতিশ্রুতি মত মজুরি মেলে না। পেটপুরে খাবার মেলে না। শ্রম আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বাড়তি খাটানো হয়। কাজের ক্ষেত্রে পান থেকে চুন খসলে বা বাড়ি যাব বললেই জোটে বেধড়ক ঠ্যাঙানি। উপলতি গ্রামের নির্যাতিত নাবালক গণেশকে ক্লাস ফোরে পড়ার সময় গুজরাটের রাজকোটে সিটি গোল্ডের দোকানে কাজে নিয়ে যায় স্থানীয় শিকারপুর গ্রামের হাপাল মোল্লা নামে এক ‘এজেন্ট’। রাজকোট থেকে তাকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!