Advertisement
  • দে । শ
  • এপ্রিল ১১, ২০২৩

কেন্দ্রীয় রিপোর্টে মিড-ডে মিল নিয়ে বড়ো গরমিল।প্রকল্পের টাকা ভিন্ন খাতে খরচ রাজ্যের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কেন্দ্রীয় রিপোর্টে মিড-ডে মিল নিয়ে বড়ো গরমিল।প্রকল্পের টাকা ভিন্ন খাতে খরচ রাজ্যের

এবার মিড-ডে মিলের ক্ষেত্রে বাংলায় ব্যাপক গরমিলের ছবি সামনে এল। প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পে মিড-ডে মিলের বন্টনের হিসেবে ব্যাপক গরমিল ধরা পড়েছে বলে কেন্দ্রীয় রিপোর্টে । সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ১৬ কোটি মিড-ডে মিলের খরচ বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে। টাকার হিসেবে এই গরমিল ১০০ কোটি টাকার বেশি বলে দাবি কেন্দ্রীয় রিপোর্টে।

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক চলতি বছরের জানুয়ারিতে যৌথ পর্যালোচনা মিশন গঠন করে। এরপরই যৌথ পর্যালোচনা মিশনের রিপোর্টে মিড-ডে মিল নিয়ে এই গরমিল প্রকাশ্যে এসেছে। জাতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এখবর জানিয়েছে।

জানা গিয়েছে, বিষয়টি জানাজানির পরে গত ৩০ মার্চ রাজ্য সরকার কেন্দ্রকে জানিয়েছে, ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রোজেক্ট ডিরেক্টরকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মিড-ডে মিল সংক্রান্ত পর্যালোচনা রিপোর্টটি তৈরি হয়েছে কেন্দ্র-রাজ্যের ‘যৌথ পর্যালোচনা’র ভিত্তিতে।

জানা গিয়েছে, মিড-ডে মিল বাবদ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে অন্যান্য খাতে। টাকাটা খরচ করা হয়েছে অন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কাজে, এছাড়া খাদ্যপণ্যের বণ্টনের ক্ষেত্রে কোনও সমতা রক্ষা করা হয়নি, ভাত-ডাল-সবজি রান্নার ক্ষেত্রে অনুমোদিত পরিমাণের থেকে ৭০ শতাংশ কম খরচ করা হয়েছে। তাছাড়া মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়া খাদ্যদ্রব্যও খরচ করা হয়েছে।

যৌথ পর্যালোচনা মিশনের রিপোর্ট অনুসারে, মিড-ডে মিল নিয়ে কেন্দ্রকে রাজ্য সরকার যে রিপোর্ট পাঠিয়েছে, তাতে প্রথম ও দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক রিপোর্ট অনুসারে, প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পে গত বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরে ১৪০ দশমিক ২৫ কোটি মিড-ডে মিল সরবরাহ করা হয়েছে বলে দেখানো হলেও রাজ্য সরকারকে পাঠানো জেলাস্তরের রিপোর্টে এই সংখ্যাটা ১২৪.২২ কোটি। কার্যত ১৬ কোটি মিড-ডে মিলের বন্টন বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে।

এবিষয়ে সংবাদিকদের ফোনের কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং স্কুলশিক্ষা সচিব মণীশ জৈন।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!