- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুলাই ২৯, ২০২৪
‘গভীর জঙ্গলে ও কিসের কান্না!!’ রাখালের তৎপরতায় উদ্ধার এক মার্কিনি
শনিবার সন্ধ্যায় সূর্য ডোবার পর একপাল ভেড়া নিয়ে ঘরে ফিরছিল সোনুর্লি গ্রামের এক রাখাল।তখন আচমকা মহিলা কন্ঠের আর্তনাদ কানে আসে তার।এক নাগাড়ে ডেকে চলেছে সে। কাল বিলম্ব না করে সে তৎক্ষণাৎ পুলিশে খবর দেয়।
ঘটনাটি ঘটে মহারাষ্ট্রের সিন্ধুদুর্গ জেলা শহর থেকে ৪৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সোনুর্লি গ্রামের এক জঙ্গলে। রাখলেন কাছে খবর পেয়ে পুলিশ জঙ্গলে প্রবেশ করে কিছুদূর যাওয়ার দেখতে পায়,চিৎকারের উৎস একটি গাছের তলা। সেখানে সর্বাঙ্গে লোহার চেন দিয়ে বাঁধা রয়েছেন বছর পঞ্চাশের এক বিদেশিনী নারী।তার আশেপাশে পড়ে রয়েছে আমেরিকার পাসপোর্টের প্রতিলিপিসহ বেশ কিছু নথিপত্র। এমনকি তামিলনাড়ুর ঠিকানায় একটি আধার কার্ড মিলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রাথমিকভাবে তাঁকে সাওয়ান্তওয়াড়ীর একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।সেখান থেকে তাঁর স্থানান্তর করা হয় সিন্ধুদুর্গ জেলার ওরোস হাসপাতালে। পরবর্তীকালে তাঁর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনা করে তাঁকে গোয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। শারীরিক ভাবে বিপন্মুক্ত হলেও তাঁর মানসিক সমস্যা রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। একটি ডাক্তারি প্রেসক্রিপশনও তার থেকে উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের আধিকারিকেরা।
তাঁরা জানিয়েছেন,তাঁর কাছে পাওয়া নথিপত্র থেকে জানা গেছে তাঁর নাম ললিতা কায়ী।বিগত দশ বছর ধরে থিনি ভারতেই রয়েছেন। তাঁর ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। পুলিশ আপাতত তিনি কোথাকার বাসিন্দা সে তদন্তে রত। ফরেনার রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের সঙ্গেও যোগাযোগ রেখে চলেছে তারা।
তবে ললিতা এই মুহূর্তে কিছু বলার মতো অবস্থায় নেই। শারীরিকভাবে যথেষ্ট দুর্বল তিনি।চিকিৎসকদের অনুমান দীর্ঘদিন অভুক্ত রয়েছেন তিনি। সম্প্রতি যথেষ্ট পরিমাণে বৃষ্টি হয়েছে ওই এলাকায়।পুলিশ আধিকারিকেরা জানিয়েছেন ,আমরা জানিনা কতদিন তিনি ওখানে ওভাবে বাঁধা ছিলেন। আমাদের অনুমান, তাঁর স্বামী যিনি সম্ভবত তামিলনাড়ুর বাসিন্দা তিনি ওভাবে বেঁধে রেখে পালিয়ে গেছেন।’
পুলিশ এখন গোয়া, তামিলনাড়ুসহ একাধিক রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ললিতার আত্মীয়ের সন্ধানে খোঁজ চালাচ্ছে।
❤ Support Us






