Advertisement
  • দে । শ
  • আগস্ট ৮, ২০২৪

চোর সন্দেহে গণপিটুনি, ইলেকট্রিক শক

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
চোর সন্দেহে গণপিটুনি, ইলেকট্রিক শক

কালনা শহরের মহিষমর্দিনীতলা এলাকায় চোর সন্দেহে এক যুবককে বেঁধে মারধর ও ইলেকট্রিক শক। অভিযোগ উঠল মহিষমর্দিনী পুজো উপলক্ষে নাগরদোলা নিয়ে আসা লোকজনের বিরুদ্ধে। মারধরে এলাকার কয়েকজনও মদত দিয়েছে বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার ভোররাতের ঘটনায় গুরুতর জখম অবস্থায় শ্যামল পাসোয়ান নামে কালনার বকুলতলার ওই যুবককে উদ্ধার করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেছেন তার বাড়ির লোকজনেরা। শ্যামলকে উদ্ধার করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন তার মা শ্যামলী পাসোয়ানও। তার মাথা মেরে ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। শ্যামলীদেবী ‘বিচার চেয়ে’ বৃহস্পতিবার ৬ জনের বিরুদ্ধে কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

পুলিশ অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্তে নেমেছে। খোঁজখবর নিয়ে জানা গেল, বুধবার রাতে বাড়িতে মায়ের সঙ্গে অশান্তি করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে কালনার মহিষমর্দিনীতলায় গিয়ে বসেছিল শ্যামল। সামনেই মহিষমর্দিনী পূজা। সেই উপলক্ষ্যে দিন তিনেক ধরে নাগরদোলা বসাচ্ছিল কয়েকজন। ২ দিন আগে নাগরদোলা বসাতে আসা লোকজনের তিনটি মোবাইল চুরি যায়। শ্যামলকে গভীর রাতে ওই এলাকায় দেখতে পেয়ে সন্দেহ হয়। প্রথমে বেঁধে রড, লাঠি দিয়ে বেদম পিটুনি। তারপর ইলেকট্রিক শক। এমন নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন এলাকার কাউম্সিলর সমরজিৎ হালদার। তিনি বলেন, ‘নারকীয় ঘটনা। আইন হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। যারা দোষী, তাদের শাস্তি চাইছি।’ রাজেশ সাউ নামে এক অভিযুক্তের সাফাই, মোবাইল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে ওই যুবক। সে যাতে পালাতে না পারে, সেজন্য হাত বেঁধে রাখা হয়েছিল। পরে তার পরিবার এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। ইলেকট্রিক শক দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!