- এই মুহূর্তে দে । শ
- সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৫
ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ । প্রবীন নেতা বালকৃষ্ণসহ নিহত ১০ মাও সমর্থক
নকশাল দমনে বড় ধরণের সাফল্য ছত্তিশগড় সরকারের। বৃহস্পতিবার ছত্তিশগড়ের গড়িয়াবন্দ জেলায় মইনপুরের জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনী এবং নকশালদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে ১০ জন নকশাল নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সি সি সদস্য মনোজ। যিনি মোডেম বালকৃষ্ণ নামেও পরিচিত। তাঁর মাথার জন্য ১ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল ছত্তিশগড় সরকার। রায়পুর বিভাগের আইজি অমরেশ মিশ্র এবং গড়িয়াবন্দ জেলার এসপি নিখিল রাখেচা এই সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মইনপুরের জঙ্গলে নকশালদের উপস্থিতির খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে গড়িয়াবন্দ ই–৩০, এসটিএফ এবং সিআরপিএফের কোবরা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়েই নকশালরা গুলি চালাতে শুরু করে। নিরাপত্তা বাহিনীও পাল্টা গুলি চালায়। দুই পক্ষের মুখোমুখি গুলি বিনিময়ে ১০ জন নকশাল নিহত হন। সংঘর্ষস্থল থেকে প্রচুর পরিমাণে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্রও রয়েছে। এছাড়া প্রচুর সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মনোজ মোডেম ওরফে বালকৃষ্ণ ওরফে ভাস্কর। এই প্রবীন নকশাল নেতার মাথার ওপর ১ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল ছত্তিশগড় সরকার। তিনি নকশালপন্থীদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। বালকৃষ্ণ ছাড়াও প্রমোদ নামে আর এক নকশাল নেতা নিহত হয়েছেন। তাঁর মাথার মূল্য ছিল ২৫ লক্ষ টাকা। এনকাউন্টার চলার সময় মইনপুরের আশেপাশের এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের বাড়ি থেকে বার না হওয়ার আবেদন জানানো হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধে পর্যন্ত এনকাউন্টার চলে।
রায়পুর রেঞ্জের পুলিশ মহাপরিদর্শক অমরেশ মিশ্র জানান, ‘ নিরাপত্তা বাহিনী নকশাল বিরোধী অভিযানের জন্য তল্লাশি অভিযানে যাওয়ার সময় মইনপুর থানা এলাকার জঙ্গলে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। এই অভিযানে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স, সিআরপিএফের বিশেষ কোবরা ইউনিট এবং রাজ্য পুলিশ। প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, কমপক্ষে ১০ জন নকশাল নিহত হয়েছে।’
অন্যদিকে, রাজ্যের দান্তেওয়াড়া জেলার মালেওয়াহি থানা এলাকায় এদিন সকালে নকশালরা সেনাদের একটা ব্যাটালিয়নকে লক্ষ্য করে আইডি বিস্ফোরণ ঘটায়। এই ঘটনায় দুই সেনা আহত হয়েছেন। সিআরপিএফ ১৯৫ ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা মালেওয়াহি থানা এলাকার সদর দফতর থেকে সাতধর এবং মালেওয়াহির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। সাতধর সেতুর ৮০০ মিটার এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নকশালদের পুঁতে রাখা আইডি বিস্ফোরণে ইন্সপেক্টর দিওয়ান সিং গুর্জর এবং কনস্টেবল আলম মুনেশ আহত হন। তাঁদের চিকিৎসার জন্য জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিমানে করে রায়পুরে পাঠানো হয়।
❤ Support Us






