- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ২৬, ২০২৬
মুখ্যমন্ত্রী ‘থ্রি ডি’ নীতি ঘোষণার পর থেকেই স্বরূপনগর সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীদের বাড়ছে ভিড়
অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে এই ঘোষনার পরে আতঙ্কিত অনুপ্রবেশকারিরা বাংলাদেশে ফেরার জন্য ভিড় জমিয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর সীমান্তে। রাজ্যে নতুন মুখ্যমন্ত্রী ‘থ্রি ডি’ নীতি ঘোষণা করে ২ দিন আগেই অবৈধ অনুপ্রবেশ কারীদের চিহ্নিত করে হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তারপরেই সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফেরার জন্য উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর থানার হাকিমপুর সীমান্তে ভিড় জমাচ্ছেন বাংলাদেশি নাগরিকরা।
এদিন দেখা গেল স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেকপোস্টে বাংলাদেশিদের ভিড়। কয়েক মাস আগে এসআইআর চলাকালীন দেখা গিয়েছিল এমন দৃশ্য। এবার রাজ্যে পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে জল্পনা শুরু হয়েছে সীমান্ত এলাকায়। ডিটেক্ট–ডিলিট–ডিপোর্ট নীতি অনুসরণ করে জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরে বাংলাদেশে ফেরার জন্য বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের হাকিমপুর চেকপোস্টে ভিড় দেখা গেল। যদিও এই নিয়ে সরকারি ভাবে ব্লক প্রশাসন আধিকারিকরা কোন মন্তব্য করতে চাননি। তবে সীমান্ত এলাকায় যে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে পুলিশ বিএসএফের তরফে তা স্বীকার করা হয়েছে।
বিধানসভা ভোটের আগে এসআইআর চলাকালীন হাজার হাজার বাংলাদেশী নাগরিক হাকিমপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিল। সে সময় যারা ফিরে যায়নি এবার হোল্ডিং সেন্টারে যেতে হবে এই ভয়ে আর ভারতে থাকতে চাইছেন না। এদের বেশিরভাগই অবৈধভাবে এদেশে বসবাস করছিল। বিভিন্ন জেলায় বিশেষ করে কলকাতায় ও শহরতলীতে, পরিচারিকা, রাজমিস্ত্রির কাজ, নির্মান শ্রমিক, ইটভাটা, মেছোঘেরি, রিকশ ও ভ্যান শ্রমিক, হকার, দিনমজুরের কাজে কাজে যুক্ত ছিল।
সোমবার দুপুরে বিথারী হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় দেখা যায়, শিশু মহিলা,পুরুষ নানা বয়সের মানুষ বাক্স, প্যাটরা নিয়ে সীমান্তের কাছে খোলা আকাশের নিচে বসে আছেন। প্রচন্ত গরমে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এলাকার কিছু যুবক তাদের জল, খাবারের ব্যবস্থা করেছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের দাবি, এক থেকে দেড় বছর আগে দালালচক্রের হাতে টাকা দিয়ে এদেশে এসে নানা পেশায় কাজ করে দিন কাটাচ্ছিলেন। এখন সরকার তাদের চিহ্নিতে করে হোল্ডিং সেন্টার রাখার কথা বলতেই ভয়ে তাঁরা ফিরে যেতে চাইছেন।
❤ Support Us








