- দে । শ
- আগস্ট ২৩, ২০২৫
ফের ভাগীরথীতে ভাঙন, কবলে কাটোয়ার ৩ গ্রাম
টানা বৃষ্টিতে ভাগীরথীর জলস্তর রোজই একটু একটু করে বাড়ছে। জলের স্রোতের ধাক্কায় ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে কাটোয়ার অগ্রদ্বীপ পঞ্চায়েতের চর বিষ্ণুপুর, চর কালিকাপুর ও চর কবিরাজপুর এলাকায়। ওই তিন এলাকার বাসিন্দাদের রাতের ঘুম ছুটেছে। আশঙ্কা, জমি, রাস্তা খেয়ে কবে না ভিটেটুকু গ্রাস করে আগ্রাসী ভাঙন! এই তিন গ্রাম ভাগীরথীর পূর্ব পাড়ে নদিয়ার দিকে অবস্থিত। এখান থেকে স্থলপথে যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা নদিয়ার দেবগ্রাম। ১৫ কিমি পাকা রাস্তাটি দিয়ে তিন গ্রামের বাসিন্দারা কাঁড়ালিয়া মোড় থেকে বাস ধরে নদিয়া যান। সেই রাস্তাটির প্রায় ৫ কিমি জলের তলায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ভবেশ বারুই, কালী হালদাররা বলছিলেন, ‘এই রাস্তা দিয়েই আমাদের হাট-বাজার, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্কুল-কলেজ যেতে হয়। এখন সেসব বন্ধ।’
যেভাবে ভাঙন হাঁ-মুখ বাড়াচ্ছে, তাতে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এলাকাজুড়ে। চর কবিরাজপুরের বহু বাসিন্দাই নিজেদের ভিটে ছেড়ে স্থানীয় কালিকাপুর ও বেলেঘাটা গ্রামের আত্মীয়দের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। এলাকায় ঘোরাঘুরি করে জানা গেল, ১৯৯৬ সালের বন্যার পর ভাগীরথী এখানে কয়েকবার গতিমুখ বদলেছে। দু’ভাগ করেছে বিষ্ণুপুর ও চর বিষ্ণুপুরকে। ১৯৯৮ সাল থেকে ভাঙন শুরু হয়েছে। এলাকার কৃষিজমি, দুর্গামন্দির, কালীবাড়ি, স্কুল, বাস্তুভিটে গিলেছে ভাগীরথী। নতুন করে ফের ভাঙন শুরু হয়েছে। কয়েকটি গাছ, বেশ খানিকটা জমি, চালাঘর ভাগীরথীর পেটে চলে গিয়েছে। নতুন করে ভাঙনের কবলে পড়া গ্রাম তিনটিকে বাঁচাতে সেচ দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বলে জানালেন এলাকার বাসিন্দা তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সদস্য নিতাইসুন্দর মুখার্জি। তিনি বলেন, ‘দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড়সড় বিপর্যয় হয়ে যাবে।’
❤ Support Us





