- এই মুহূর্তে মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- অক্টোবর ১০, ২০২৩
বাংলাদেশকে ১৩৭ রানে উড়িয়ে ঘুরে দাঁড়াল গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড
নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ইংল্যান্ড। বাংলাদেশকে ১৩৭ রানে উড়িয়ে দিল গতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। দুরন্ত সেঞ্চুরি করে ইংল্যান্ডের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন দাওয়িদ মালান। ম্যাচের আগে ইংল্যান্ড অধিনায়ক জস বাটলার বলেছিলেন, বাংলাদেশকে বাধা মনে করছেন না। জয়ের ব্যাপারে দারুণ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তাঁর কথা ও কাজের মধ্যে কোনো পার্থক্য চোখে পড়ল না। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এদিন সেভাবে প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারলেন না সাকিব আল হাসানরা।
ধরমশালার বাইশ গজে সকালের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ কাজে লাগেতে টস জিতে ইংল্যান্ডকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়ে ফিরে আসে। ওপেনিং জুটিতে ১১৫ রান তুলে ফেলেন জনি বেয়ারস্টো ও দাওয়িদ মালান। বেয়ারস্টোকে (৫৯ বলে ৫২) তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডকে প্রথম ধাক্কা দেন সাকিব। কিন্তু সেই সাফল্য ধরে রাখতে পারেননি বাংলাদেশ বোলাররা। সাকিবদের ওপর চেপে বসেন মালান ও রুট। দুজনের জুটিতে ওঠে ১৫১। মাহেদি হাসান জুটি ভাঙেন। তুলে নেন মালানকে। ১০৭ বলে ১৪০ রান করে আউট হন মালান।
৩৯ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ২৯০/২। এরপর দ্রুত রান তুলতে গিয়ে একের পর এক উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডের মিডল অর্ডারে আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। বাটলারকে (১০ বলে ২০) ফেরানোর ১ ওভার পরেই পরপর ২ বলে তুলে নেন সেঞ্চুরির দিকে এগোতে থাকা জো রুট (৬৮ বলে ৮২) ও লিয়াম লিভিংস্টোনকে (০)। দ্রুত রান তুলতে গিয়ে শেষ ১১ ওভারে ৭ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। স্কোর বোর্ডে যোগ হয় মাত্র ৭৪ রান। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ইংল্যান্ড তোলে ৩৬৪/৯। মাহেদি হাসান ৭১ রানে ৪ উইকেট পান। ৭৫ রানে ৩ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম।
সামনে বিশাল রানের টার্গেট দেখে ব্যাট করতে নামার আগেই হয়তো কেঁপে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাটাররা। তানজিদ হাসান (১), নাজমুল হোসেন শান্তরা (০) চাপ নিতে পারেননি। দুজনকে পরপর ২ বলে তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিকের সামনে পৌঁছে গিয়েছিলেন রিস টপলি। হয়াটট্রিক আটকান সাকিব। যদিও তিনি বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। সেই টপলিরই শিকার সাকিব (১)। মেহেদি হাসান মিরাজও (৮) রান পাননি।
৪৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে যায় বাংলাদেশ। সেখান থেকে আর ফেরা সম্ভব ছিল না। লিটন দাস (৬৬ বলে ৭৬), মুশফিকুর রহিম (৬৪ বলে ৫১) কিছুটা লড়াই করেন। তৌহিদ হৃদয় করেন ৩৯। লোয়ার অর্ডারে মাহেদি হাসান (১৪), শরিফুল ইসলাম (১২), তাসকিন আমেদদের (১৫) লড়াই বাংলাদেশকে ২২৭ রানে পৌঁছে দেয়। ১০ বল বাকি থাকতে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। দুরন্ত বোলিং করে ৪৩ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন নিস টপলি। ২টি উইকেট নেন ক্রিস ওকস।
❤ Support Us







