Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • মে ৩০, ২০২৬

অভিষেকের খোঁজে শান্তিনিকেতনে সিআইডি

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
অভিষেকের খোঁজে শান্তিনিকেতনে সিআইডি

কলকাতার হরিশ মুখার্জি রোডে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’-এর সামনে শনিবার দুপুরে পৌঁছয় রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (সিআইডি)-এর চার সদস্যের একটি দল। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন এক ভিডিয়োগ্রাফারও। তবে বাড়ির কর্মীরা সিআইডি আধিকারিকদের জানান, অভিষেক বাড়িতে নেই।

অন্যদিকে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ দাবি করেন, ওই সময় অভিষেক তাঁর রামমোহন রায় রোডের বাড়িতেই ছিলেন। কুণাল বলেন, “আমার বাড়িতে অভিষেক ছিলেন। বেলেঘাটায় ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত তৃণমূলকর্মী বিশ্বজিতের পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। অভিষেক তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দেন।”

সিআইডি কেন অভিষেকের বাড়িতে গিয়েছে, তা নিয়ে সরকারি ভাবে কিছু জানানো না হলেও রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৃণমূল পরিষদীয় দলের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া একটি চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষর নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেই তদন্তের সূত্রেই সিআইডি অভিষেকের সঙ্গে কথা বলতে বা নোটিস দিতে গিয়েছিল।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা, উপদলনেতা এবং মুখ্যসচেতক নির্বাচনের প্রক্রিয়া ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়। ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ৬ মে কালীঘাটে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠকে জয়ী বিধায়কেরা পরিষদীয় দলের নেতৃত্ব নির্বাচনের দায়িত্ব তাঁর উপরই ছেড়ে দেন। পরে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্র উপদলনেতা এবং ফিরহাদ হাকিম মুখ্যসচেতক হবেন।

এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি বিধানসভায় পাঠানো হয়। তবে সেই চিঠি গৃহীত হয়নি। অভিযোগ ওঠে, চিঠিতে থাকা কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষরে অসঙ্গতি রয়েছে। সেই অভিযোগের তদন্তেই সিআইডি কলকাতা পুলিশকে সহায়তা করছে।

ইতিমধ্যেই এই তদন্তের সূত্রে সিআইডি চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ, ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলাম এবং ডোমজুড়ের বিধায়ক তাপস মাইতির বাড়িতেও গিয়েছে।

শনিবার অভিষেকের বাড়িতে গিয়ে সিআইডি আধিকারিকরা কর্মীদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেন। বাড়ির এক কর্মী জানান, “স্যর বাড়িতে নেই। আমরা কয়েকজন কর্মী রয়েছি। গত কয়েক দিনে বাড়িতে কেউ আসেননি।” এরপর সিআইডি দলটি বাড়ির সামনে অপেক্ষা করতে থাকে।

ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও সিআইডি অভিযানের বিষয়ে কুণাল ঘোষ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!