Advertisement
  • এই মুহূর্তে বি। দে । শ
  • সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৫

নিষেধাজ্ঞার চাপে বিলুপ্ত ‘‌জৈশ–ই–মহম্মদ’‌, ‘‌আল–মুরাবিতুন’‌ নতুন নামে আত্মপ্রকাশ এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
নিষেধাজ্ঞার চাপে বিলুপ্ত ‘‌জৈশ–ই–মহম্মদ’‌, ‘‌আল–মুরাবিতুন’‌ নতুন নামে আত্মপ্রকাশ এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর

বিলুপ্ত হয়ে গেল ‘‌জৈশ–ই–মহম্মদ’। কথাটা শুনে হয়তো অনেকেই মনে করতে পারেন, এই সন্ত্রাসী জঙ্গি সংগঠনটি অবলুপ্ত হয়ে হয়ে গেল। অবলুপ্তি নয়, নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ে নাম পরিবর্তন করল এই নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। এখন থেকে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ‘‌আল–মুরাবিতুন’‌ নামে পরিচিত হবে। আরবি ভাষায়া যার অর্থ ‘‌ইসলামের রক্ষক’‌। ‘‌জৈশ–ই–মহম্মদ’‌–এর প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহারের ভাই ইউসুফ আজহারের মৃত্যুর স্মৃতিতে আগামী সপ্তাহ থেকে নতুন নামটি ব্যবহার করা হবে।
২০০১ সালে ভারতীয় সংসদে হামলা, ২৬/১১ মুম্বই হামলা এবং জম্মু ও কাশ্মীরের উরি ও পুলওয়ামায় সেনাবাহিনীর ওপর হামলার জন্য দায়ী এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটি ‘‌জৈশ–ই–মহম্মদ’‌ নাম থেকে নিজেদের আলাদা করতে চায়। কারণ নিষেধাজ্ঞার কারণে এই সন্ত্রাসী সংগঠনেরক তহবিল পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবিরোধী তহবিল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের জুলাই মাসের এক প্রতিবেদনে এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তহবিল চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরা হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘‌জৈশ–ই–মহম্মদ’‌ এখন ডিজিটাল পেমেন্ট, অর্থাৎ ই–ওয়ালেট এবং ইউপিআই ট্রান্সফার ব্যবহার করে নিজেদের পুনর্গঠনে অর্থ ব্যয় করছে। এখনও পর্যন্ত পাঁচটি ই–ওয়ালেট সনাক্ত করা হয়েছে। প্রতিটা ই–ওয়ালেটই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এবং প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সম্ত্রাসী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল ৪ বিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি সংগ্রহ করা, যাতে ৩০০ টিরও বেশি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা যায়।
ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে তহবিল পাঠানোর অর্থ হল পাকিস্তান বলতে পারে যে তারা তহবিল বন্ধ করেছে। ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের মতো আনুষ্ঠানিক উপায়ের মাধ্যমে এবং ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের নিয়ম মেনে চলে কিন্তু জৈশ এখনও অর্থ পায়। অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে জৈশের ঘাঁটি ধ্বংস করার পর তাদের পুনর্গঠনের প্রচেষ্টার বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ৭ মে ভারত বাহাওয়ালপুরসহ ৯টি সন্ত্রাসী শিবিরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
জৈশ–ই–মহম্মদ এবং হাফিজ সঈদের হিজবুল মুজাহিদিনসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলি পাকিস্তানের আরও গভীরে পুনরায় অবস্থান শুরু করেছে এবং খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে ঘাঁটি স্থাপন করেছে। পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জৈশ নতুন করে নিয়োগ অভিযানও পরিচালনা করছে। ১৪ সেপ্টেম্বর মানসেহরা জেলার গড়ি হাবিবুল্লাহ শহরে এইরকম একটা অভিযান পরিচালিত হয়েছিল।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!