Advertisement
  • বি। দে । শ
  • এপ্রিল ১৮, ২০২৬

আফগানিস্তানে জোরালো ভূমিকম্প

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
আফগানিস্তানে জোরালো ভূমিকম্প

শনিবার সাতসকালেই তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান।  ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরেও কম্পন অনুভূত হয়। জানা গিয়েছে, শনিবার ভোরে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায়  কম্পন অনুভূত হয়। প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৩। তবে এই ভূমিকম্পের জেরে হতাহতের কোনও খবর এখনও পাওয়া যায়নি।

আমেরিকার জিওলজিক্যাল সার্ভে-র তথ্য অনুযায়ী, শনিবার স্থানীয় সময় প্রায় সকাল ৭টা ২৪ মিনিটে ভূমিকম্পটি হয়। এর কেন্দ্রস্থল ছিল উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানে, হিন্দুকুশ পর্বতমালা অঞ্চলে, যা ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। প্রায় ৩৬.৬২ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৭০.৭৯ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে, এবং গভীরতা ছিল প্রায় ১৯৮.৮ কিলোমিটার। কেন্দ্রস্থলের গভীরতা প্রায় ১৯৮ কিলোমিটার হওয়ায় কম্পন বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। রাজধানী কাবুল সহ বিভিন্ন অঞ্চলে কম্পন অনুভূত হয়।

এই কম্পনের প্রভাব আফগানিস্তান অতিক্রম করে ভারতের উত্তরে কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের একাধিক এলাকায় ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। আতঙ্কে বহু মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন, এখনও পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর নেই।

ভূ-বিশেষজ্ঞদের মতে, হিন্দুকুশ অঞ্চলটি ইউরেশীয় ও ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় এখানে ঘনঘন ভূমিকম্প হয়। তবে ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল গভীর হলে তার ফলে সাধারণত বড় ক্ষতি না হলেও কম্পন অনেক দূর পর্যন্ত পৌঁছে যায়।

এর আগে সপ্তাহ দুয়েক আগেই বড়ো রকমের ভূমিকম্পে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আফগানিস্তান। ভেঙে পড়ে প্রচুর বাড়ি-ঘর, আট জনের মৃত্যু হয় এই বিপর্যয়ের ফলে। তখন সেই কম্পনের মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৫.৯। এ ছাড়া এই অঞ্চল অতীতেও একাধিক শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে। ২০১৫ সালে আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ এলাকায় ৭.৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়, যার প্রভাব ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান জুড়ে পড়ে এবং তার ফলে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া ২০২২ সালেও পূর্ব আফগানিস্তানে ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং বহু প্রাণহানি ঘটে। এলাকাটি ভূমিকম্প প্রবণ বলে বহু-বিশেষজ্ঞরা জানান।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!