- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- জুন ৫, ২০২৬
বিশ্ব পরিবেশ দিবস : জলবায়ু সংকটে প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবায়নের পরীক্ষা
পৃথিবীর ইতিহাসে আবিষ্কার আর উদ্ভাবন মানবসভ্যতার গতিপথ আমূল বদলে দিয়েছে। চাকার আবিষ্কার মানুষের গতিকে নতুন মাত্রা দিয়েছিল, আগুনের ব্যবহার তাকে প্রকৃতির উপর প্রভাব বিস্তারের নতুন ক্ষমতা এনে দিয়েছিল। মানব অগ্রগতির এই দুই মাইলফলক সভ্যতার বিকাশের ভিত্তি গড়ে তুললেও, ইতিহাসের দীর্ঘ পরিক্রমায় এগুলিই মানুষের প্রকৃতিতে ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপের সূচনা ঘটায়। মানুষের হস্তক্ষেপের ধারাবাহিকতায় শিল্পায়ন, নগরায়ন, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার এবং প্রাকৃতিক সম্পদের লাগামহীন শোষণ আজ পৃথিবীকে এক গভীর জলবায়ু সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিক দিনে এ বাস্তবতাই নতুন করে সামনে এসেছে। পরিবেশবিদ, বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক এবং শিল্পমহলের প্রতিনিধিরা একবাক্যে স্বীকার করছেন, জলবায়ু পরিবর্তন আর ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয়, কঠোর বর্তমানের বাস্তবতা। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা দ্রুতহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, ঋতুচক্রের স্বাভাবিক ছন্দ বদলে যাচ্ছে, বৃষ্টিপাতের ধরন অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে খরা, বন্যা, দাবানল, অস্বাভাবিক তাপমাত্রা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘনত্ব উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। যদিও জলবায়ুর পরিবর্তনের পেছনে কিছু প্রাকৃতিক কারণও রয়েছে, তবু বিজ্ঞানীরা স্পষ্টভাবে দেখিয়েছেন যে বর্তমান সংকটের প্রধান চালিকাশক্তি মানবসৃষ্ট কার্যকলাপ।
এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস শুধু একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়, বরং মানবজাতির জন্য আত্মসমালোচনার দিন। প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের পুনর্মূল্যায়নের দিন। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ, এর বহুমাত্রিক প্রভাব এবং তা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা আশু কর্তব্য। আন্তর্জাতিক সম্মেলন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নীতিগত প্রতিশ্রুতি আর সামাজিক প্রচারের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব নিয়ে আর কোনো দ্বিধা নেই। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা আর বাস্তব পদক্ষেপের মধ্যে এখনো বিশাল ফারাক রয়ে গেছে। পরিস্থিতির যে জরুরি গুরুত্ব, সে তুলনায় সম্মিলিত উদ্যোগ এখনো পর্যাপ্ত নয়।
পরিবেশবিদদের একাংশের মতে, চলমান এ সংকটের সবচেয়ে বড়ো বিদ্রূপ হলো, যে অঞ্চলের মানুষ প্রকৃতির উপর সবচেয়ে বেশি হস্তক্ষেপ করেছে, তারা পরিবেশগত বিপর্যয়ের শিকার তো হচ্ছেন বটেই, যেসব দেশ অনেক আগে থেকেই পরিবেশ রক্ষায় ব্রতী, তারাও প্রকৃতির রোষানল থেকে রেহাই পাচ্ছে না। ত্রাহি ত্রাহি রব উঠছে সর্বত্র। কৃষি, জনস্বাস্থ্য, জলনিরাপত্তা, খাদ্য উৎপাদন এবং অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্র জলবায়ু পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ প্রভাব অনুভব করছে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ। এই প্রেক্ষাপটে অনেকেই ভারতীয় দর্শন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের দিকে ফিরে তাকাচ্ছেন। ভারতীয় সভ্যতায় প্রকৃতিকে কেবল সম্পদ হিসেবে দেখা হয়নি; তাকে জীবনের উৎস এবং অস্তিত্বের অংশ হিসেবে সম্মান করা হয়েছে। সূর্যকে শক্তির আধার, নদীকে জননী, ধরিত্রীকে মাতৃরূপে এবং বনভূমিকে জীবনের ধারক হিসেবে শ্রদ্ধা করার যে দীর্ঘ ঐতিহ্য ভারতীয় সমাজে ছিল, তা আধুনিক পরিবেশচিন্তার সঙ্গে গভীরভাবে সাযুজ্যপূর্ণ।
যদিও, বর্তমান সময়ে প্রতিমুহুর্তে চিরায়ত সে ধারণা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। দূষিত হচ্ছে নদী, নির্বিচারে কাটা হচ্ছে গাছ, ধ্বংস হচ্ছে পাহাড়, জঙ্গল, জমি। বাতাস দখল করেছে প্রাণঘাতি বিষবাষ্প। ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা, জলসংকট, কৃষি উৎপাদনে অনিশ্চয়তা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় অঞ্চলের ক্ষয় এবং জনস্বাস্থ্যের নতুন নতুন ঝুঁকি মানুষের জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করছে। ভারতের পরিবেশ (সংরক্ষণ) আইন, ১৯৮৬ এ প্রসঙ্গে পরিবেশের বিস্তৃত সংজ্ঞা দিয়েছে। আইন অনুসারে পরিবেশ বলতে শুধু জল, বায়ু কিংবা ভূমিকে বোঝায় না; জল, বায়ু, ভূমি, মানুষ, অন্যান্য জীব, উদ্ভিদ, অণুজীবের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক সম্পর্কও অন্তর্ভুক্ত। এই সংজ্ঞা স্পষ্ট করে দেয় যে পরিবেশ রক্ষা কোনো একক উপাদান সংরক্ষণের প্রশ্ন নয়; এটি এমন একটি জটিল ভারসাম্য রক্ষার বিষয়, যার উপর পৃথিবীর সমস্ত প্রাণের অস্তিত্ব নির্ভর করছে।
ভারতের সাংবিধানিক কাঠামোতেও পরিবেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরিবেশকে অবশিষ্ট তালিকাভুক্ত বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হওয়ায় আইন প্রণয়নের প্রধান দায়িত্ব কেন্দ্রের উপর বর্তায়। বিভিন্ন রাজ্য নানান সময়ে বনায়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কিন্তু, পরিবর্তিত পরিস্থিতে অনিয়ন্ত্রিত ‘বিকাশ’-এর মরীচিকার পিছনে ধাওয়া করতে গিয়ে সুজলা-সুফলা দেশের আসল সম্পদ সমূলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বারবার। পুঁজির করাল গ্রাসে উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূব থেকে পশ্চিম। পাহাড়ের বুক চিড়ে লোলুপ খনিজ উত্তোলন, নদীর জলে ফ্যাক্টরির দূষিত আবর্জনা, জনজাতি অধ্যুষিত অঞ্চলে উন্নয়নের নামে অরণ্যের জবরদখল; এ সবই বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।
মনে রাখতে হবে, ভারতের অর্থনীতি ও পরিবেশের সম্পর্ক বিশেষভাবে ঘনিষ্ঠ। কৃষি এখনো দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবিকার উৎস। পর্যটন শিল্প প্রাকৃতিক সম্পদের উপর নির্ভরশীল। জলনিরাপত্তা সরাসরি খাদ্য নিরাপত্তা আর জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত। ফলে পরিবেশগত সংকটকে উপেক্ষা করা মানে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থকে নিশ্চিত বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া। নীতিগত অবস্থান থাকা সত্ত্বেও ভারত পরিবেশগত চাপ থেকে মুক্ত নয়, একথা স্বীকার করে নিয়েই, কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে সরকারকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের উপর আরও জোর দিতে হবে। দেশের প্রধান গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলি—আইআইটি, আইআইএসসি, আইএআরআই এবং সিএসআইআরের মতো সংস্থাগুলির মধ্যে সমন্বিত সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে। উপাদান ও জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত প্রভাবের জীবনচক্রভিত্তিক মূল্যায়ন এবং সামাজিক প্রভাবের বিশ্লেষণকে গুরুত্ব দিয়ে দেশীয় প্রযুক্তি উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। শিল্প দূষণ নিয়ন্ত্রণ, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বিপজ্জনক বর্জ্য, জৈব-চিকিৎসা বর্জ্য এবং ক্রমবর্ধমান ই-বর্জ্য সমস্যার সমাধানে এ ধরণের গবেষণা ও তার বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
তবে প্রযুক্তির প্রতিটি সমাধানের সঙ্গে নতুন প্রশ্নও উঠে আসছে। নবায়নযোগ্য শক্তি এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে দেখা হলেও, এগুলির নিজস্ব পরিবেশগত প্রভাবও রয়েছে। বৈদ্যুতিক গাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাটারি উৎপাদন বিরল খনিজের উপর নির্ভরশীল। এই খনিজগুলির আহরণ ও সরবরাহ ব্যাপকহারে ভূ-রাজনৈতিক এবং পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। আবার বৈদ্যুতিক যানবাহনের তুলনামূলক বেশি ওজন সড়ক অবকাঠামোর উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে, যার ফলস্বরূপ ধূলিকণা ও অন্যান্য দূষণও বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে প্রযুক্তির উৎপাদন, ব্যবহার এবং বর্জনের সম্পূর্ণ জীবনচক্রকে বিবেচনায় এনে পরিবেশগত মূল্যায়ন অপরিহার্য।
অন্যদিকে প্রযুক্তিগত রূপান্তরের জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থায়ন। সরকারি সহায়তা ছাড়াও আন্তর্জাতিক পরিবেশ-সম্পর্কিত আর্থিক ব্যবস্থাগুলির সদ্ব্যবহার করতে হবে। স্বেচ্ছাসেবী কার্বন বাজার, প্যারিস চুক্তির অধীনে জাতিসংঘের অনুচ্ছেদ ৬-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক কার্বন বাণিজ্য ব্যবস্থা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্বন সীমান্ত সমন্বয় প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের জন্য কার্বন ক্ষতিপূরণ ও নির্গমন হ্রাস কর্মসূচি–এর মতো বৈশ্বিক উদ্যোগে কার্যকর অংশগ্রহণ সবুজ অর্থায়নের নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে কার্বন ক্যাপচার প্রযুক্তি এবং দেশের বিপুল জৈব সম্পদকে বায়োচার উদ্যোগে ব্যবহার করার সম্ভাবনাও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এগুলিই টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রযুক্তিও একমাত্র সমাধান নয়। প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বা ‘নেচার-বেসড সলিউশনস’ও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বন সংরক্ষণ, জলাভূমি পুনরুদ্ধার, ম্যানগ্রোভ সম্প্রসারণ, প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রের পুনর্গঠন এবং স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের সুরক্ষা জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমনের ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ একদিকে যেমন পরিবেশগত সুরক্ষা নিশ্চিত করে, তেমনই সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাও বৃদ্ধি করে। কাঠের মতো সম্পদের দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির পক্ষে নীতিগত সমর্থনের কথাও আলোচনায় উঠে এসেছে। আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং পরিবহনজনিত কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের ক্ষেত্রেও এ ধরনের পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
পরিবেশ রক্ষার দায় অনেকাংশে সরকার, তার নীতিমালা বা শিল্পক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণের উপর নির্ভরশীল হলেও, তা পুরোটা নয়। সাধারণ মানুষের ভূমিকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশ রক্ষায় লাগাতার সচেতনা, গণমুখী আন্দোলন সরকারী নীতিনির্ধারণ ও প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিদিনের জনজীবনে জল সংরক্ষণ, অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য কমানো, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার এবং টেকসই জীবনযাত্রা গ্রহণের মতো ছোটো ছোটো উদ্যোগই দীর্ঘমেয়াদে বড়ো পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি করতে পারে। ভারতের নবায়নযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে সাফল্যের চিত্র এ বার্তাই জোড়ালো করে। বর্তমানে ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল নবায়নযোগ্য শক্তি বাজারগুলির অন্যতম। দেশের মোট নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২৭৯ গিগাওয়াটে পৌঁছেছে। এর মধ্যে সৌরশক্তির অবদান প্রায় ১৫৫ গিগাওয়াট এবং বায়ুশক্তির ক্ষমতা ৫৬ গিগাওয়াটেরও বেশি। সৌরশক্তি এই সম্প্রসারণের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে উঠে এসেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্যারিস জলবায়ু চুক্তির অধীনে ২০৩০ সালের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যগুলির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ভারত নির্ধারিত সময়ের ৫ বছর আগেই অর্জন করেছে। দেশের স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ৫০ শতাংশেরও বেশি এখন অ-জীবাশ্ম জ্বালানি উৎস থেকে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত বার্ষিক সৌরশক্তি উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অবদানকারী দেশে পরিণত হয়েছে। তালিকায় কেবল চিন ভারতের আগে রয়েছে। ভারত সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০ গিগাওয়াট অ-জীবাশ্ম জ্বালানি ক্ষমতা অর্জন। তবে গ্রিড সংযোগ, বিদ্যুৎ সঞ্চালন পরিকাঠামো এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য নীতিগত স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা এখনো অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জ। শিল্পমহলের প্রতিনিধিদের মতে, শক্তি সঞ্চয় প্রযুক্তি, সঞ্চালন নেটওয়ার্ক এবং দেশীয় উৎপাদনে ধারাবাহিক বিনিয়োগ ছাড়া এই প্রবৃদ্ধি দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।
❤ Support Us





