- দে । শ
- জুন ২৫, ২০২৬
রাম মন্দিরে আর্থিক বেনিয়মের বিচার হোক ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে, দাবি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের
অযোধ্যার রাম মন্দিরে অনুদান ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে এবার সরব হল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)। মন্দিরে চুরি ও আর্থিক বেনিয়মের ঘটনায় দ্রুত এফআইআর দায়ের করে ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে বিচার প্রক্রিয়া চালানোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। এই দাবি জানিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদ্যিনাথের হস্তক্ষেপও চেয়েছে তারা।
মঙ্গলবার উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে তদন্তকারী বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) তাদের প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেয়। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, রাম মন্দিরের প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনার একাধিক স্তরে গুরুতর গলদ রয়েছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে দানবাক্স থেকে অর্থ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও গণনার প্রক্রিয়া— প্রায় সর্বত্রই ত্রুটির সন্ধান মিলেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিটের রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, মন্দির পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বেনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের সুপারিশও করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রুখতে একাধিক সংস্কারমূলক পদক্ষেপের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট জমা না পড়া পর্যন্ত এফআইআর দায়েরের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলেই জানা গিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে ভিএইচপির জাতীয় সভাপতি অলক কুমার কড়া সুরে বলেন, “বেনিয়মের যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। অবিলম্বে এফআইআর দায়ের করতে হবে। ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে প্রতিদিন শুনানির মাধ্যমে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি করে দোষীদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত।”
তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উঠছে অন্য প্রশ্নও। কারণ, যে মন্দির পরিচালনা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, তার সঙ্গে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদেরও যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি চম্পত রাই-এর নামও বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে। ফলে অনেকের মতে, নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের পক্ষে অবস্থান স্পষ্ট করতেই প্রকাশ্যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ভিএইচপি। আর তাতেই বিজেপির অস্বস্তি আরও বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।
❤ Support Us






