- দে । শ
- জুন ২৫, ২০২৬
তারাতলা বিপর্যয় নিয়ে অভিযোগ, কী মন্তব্য ফিরহাদের ?
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার বিধানসভায় তারাতলার ঘটনার জন্য কলকাতার প্রাক্তন মেয়রকেও দায়ী করেছেন । মুখ্যমন্ত্রীর ওই অভিযোগের উত্তরে এ বার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁর দাবি, কোনও নির্মাণের নকশায় অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর এক্তিয়ারই ছিল না । শুধু তাঁর কেন, কোনও মেয়রেরই থাকে না। বিল্ডিং প্ল্যান খতিয়ে দেখে বিল্ডিং ডিপার্টমেন্ট। আলাদা করে মেয়রের এ ক্ষেত্রে কিছু করারই থাকে না ।
তারাতলায় ভেঙে পড়া নির্মীয়মাণ গুদামটির নকশার যে নথিতে ফিরহাদের স্বাক্ষর রয়েছে, বিধানসভায় সেই নথি তুলে ধরে দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের কাউকেই ছাড়া হবে না। তাঁদের জেল তো হবেই, নতুন আইন এনে সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হবে । মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিযোগের জবাবে ফিরহাদ বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমার জানা নেই। প্ল্যান অনুমোদন হয় বিল্ডিং ডিপার্টমেন্ট থেকে । দুর্ভাগ্যবশত আমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়িনি। আর প্ল্যান আমার কাছে আসারও কথা নয় । এই প্ল্যানটার ব্যাপারে আমার কোনও ধারণাই নেই। কমিশনার হয়ে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আমার কাছে আসত ।’
ফিরহাদ হাকিম দাবি করেন, যদি কোথাও স্বাক্ষর থেকে থাকে, তা নিয়মরক্ষা মাত্র । তাঁর কথায়, ‘ওটা শুধু ফর্ম্যালিটিস । এমবিসি অর্থাৎ মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং কমিটিতে টেকনিক্যাল লোকজন থাকেন । ওটার মধ্যে মেয়রের কোনও এক্তিয়ারও নেই । কোনটা বেআইনি, কোনটা নয়, সেটা দেখার এক্তিয়ার নেই । বিল্ডিং ডিপার্টমেন্ট কাকে নোটিস দিচ্ছে, কোনটা ভাঙছে, সেটা দেখারও এক্তিয়ার নেই। বিল্ডিং প্ল্যান স্যাংশনেরও এক্তিয়ার নেই মেয়রের ।’ প্রাক্তন মেয়র দাবি করেন, তিনি খোঁজ নিয়ে দেখেছেন গুদামটি বেআইনি ভাবে নির্মাণ করা হচ্ছিল না। তবে তদারকির অভাব ছিল । কিন্তু তার দায় মেয়র বা কমিশনারের হতে পারে না।
ফিরহাদ হাকিম তারাতলার দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার তৎপরতা দেখিয়েছেন বলে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেছেন । প্রাক্তন মেয়র বলেন, ‘উদ্ধারকাজ খুব ভালো হয়েছে । মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানিয়েছি । প্রশংসার যোগ্য ।’ তারাতলা ফিরহাদের বিধানসভা কেন্দ্র কলকাতা বন্দরের অন্তর্গত । তিনি বলেন, ‘ভাঙার খবর পাওয়া মাত্রই আমি ওখানে গিয়েছিলাম । কিন্তু ঢুকতে পারিনি। পুলিশ বলল আমাকে । তার পর আমি এসএসকেএমে গিয়েছি ।’
❤ Support Us





