- দে । শ
- জুন ২৫, ২০২৬
রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে আইএএস কৃষ্ণ গুপ্ত, পুরভোটের আগে প্রশাসনিক তৎপরতা
পুর নির্বাচনের ঘণ্টা বাজতেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার (SEC) পদে নতুন নিয়োগ করল নবান্ন। প্রায় এক বছর ধরে ফাঁকা থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ পদে আইএএস কৃষ্ণ গুপ্তকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি এতদিন অতিরিক্ত মুখ্যসচিব হিসেবে সমবায় দফতরের দায়িত্বে ছিলেন। রাজ্য প্রশাসনের এই নিয়োগকে ঘিরে পুর ও পঞ্চায়েত ভোটের আগে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক তাৎপর্য তৈরি হয়েছে।
রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে থাকেন পুরসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচন পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ফলে এই পদে নিয়োগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে আসন্ন পুরভোটকে সামনে রেখে।
এর আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত আমলা রাজীব সিংহ। তিনি ২০২৩ সালে এই পদে নিযুক্ত হন এবং গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রায় এক বছর ধরে পদটি ফাঁকা ছিল। এই সময় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব নীলাঞ্জন সান্ডিল্য প্রশাসনিক কাজকর্ম সামলাচ্ছিলেন।
অন্যদিকে, রাজ্যে পুরভোট নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও তৎপরতা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে বছরের মধ্যেই পুরভোট হতে পারে এবং কলকাতায় নতুন পুরবোর্ড গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। হাওড়া পুরসভা নিয়েও একই ধরনের প্রস্তুতির কথা বলা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ দ্রুত শেষ করার দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভায় মেয়র পদে পরিবর্তনের পর প্রশাসক নিয়োগ করে কাজ চালানো হচ্ছে। পুরভোটের আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা রয়েছে।
উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভায় মেয়র পদে পরিবর্তনের পর প্রশাসক নিয়োগ করে কাজ চালানো হচ্ছে। পুরভোটের আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা রয়েছে।
তবে প্রতিবেদনের কিছু রাজনৈতিক উল্লেখ বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন—কারণ রাজ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সাধারণত রাজ্য সরকার ও রাজ্যপালের সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়ে থাকে, এবং এটি কোনও রাজনৈতিক দলের সরাসরি “সরকার” হিসেবে নয়, প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে সম্পন্ন হয়।
❤ Support Us





