- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুলাই ৬, ২০২৬
রাজ্যসভার তিন আসনে ২৪ জুলাই উপনির্বাচন, কমিশনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা; তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের বদলে কারা যাবেন সংসদে ?
রাজ্যসভায় পশ্চিমবঙ্গের তিনটি শূন্য আসনে উপনির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের তিন ‘বিদ্রোহী’ নেতা—সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশচিক বরাইক সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর এই তিনটি আসন শূন্য হয়। তাঁদের ইস্তফার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন সাংসদ কারা হবেন, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল। এবার সেই জল্পনার মধ্যেই আগামী ২৪ জুলাই উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হয়েছে।
কমিশনের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৪ জুলাই। মনোনয়নপত্র যাচাই (স্ক্রুটিনি) হবে ১৫ জুলাই এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ জুলাই। ২৪ জুলাই সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে। একই দিন বিকেল ৫টা থেকে ভোট গণনা শুরু হবে। পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বড় পরাজয়ের পর থেকেই দলে ভাঙন ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে। বিধানসভার পরিষদীয় দল ভেঙেছে, লোকসভার সংসদীয় দল থেকেও একাধিক নেতা বেরিয়ে নতুন রাজনৈতিক শিবিরে যোগ দিয়েছেন। সেই আবহেই রাজ্যসভাতেও তিন সাংসদের ইস্তফা রাজনৈতিক তাৎপর্য বাড়িয়েছে।
এই তিনজনের মধ্যে প্রথমে ৮ জুন সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন সুখেন্দুশেখর রায়। এরপর ১০ জুন ইস্তফা দেন সুস্মিতা দেব এবং ১১ জুন পদত্যাগ করেন প্রকাশচিক বরাইক। ইস্তফার পর প্রকাশচিক বরাইক প্রকাশ্যে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা করেন। অন্যদিকে, সুস্মিতা দেব অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে বৈঠক করেন। পাশাপাশি, লোকসভায় তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের বৈঠকেও উপস্থিত থাকতে দেখা যায় সুখেন্দুশেখর রায়কে।
বর্তমান বিধানসভার সংখ্যার নিরিখে তিনটি রাজ্যসভা আসনেই বিজেপি মনোনীত প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা প্রবল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। বিধানসভায় বর্তমানে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ২০৮। কোনও বিজেপি প্রার্থীকে পরাজিত করতে বিরোধী শিবিরের প্রার্থীকে অন্তত ৭০টি ভোটের প্রয়োজন হবে। অন্যদিকে, তৃণমূলের সম্মিলিত শক্তি ৮০ বিধায়ক হলেও পরিষদীয় দল বর্তমানে বিভক্ত। দুই শিবির একজোট হয়ে প্রার্থী দিলে একটি আসন জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণে সেই সম্ভাবনা যথেষ্ট ক্ষীণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।
কমিশনের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৪ জুলাই। মনোনয়নপত্র যাচাই (স্ক্রুটিনি) হবে ১৫ জুলাই এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ জুলাই। ২৪ জুলাই সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে। একই দিন বিকেল ৫টা থেকে ভোট গণনা শুরু হবে। পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বড় পরাজয়ের পর থেকেই দলে ভাঙন ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে। বিধানসভার পরিষদীয় দল ভেঙেছে, লোকসভার সংসদীয় দল থেকেও একাধিক নেতা বেরিয়ে নতুন রাজনৈতিক শিবিরে যোগ দিয়েছেন। সেই আবহেই রাজ্যসভাতেও তিন সাংসদের ইস্তফা রাজনৈতিক তাৎপর্য বাড়িয়েছে।
এই তিনজনের মধ্যে প্রথমে ৮ জুন সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন সুখেন্দুশেখর রায়। এরপর ১০ জুন ইস্তফা দেন সুস্মিতা দেব এবং ১১ জুন পদত্যাগ করেন প্রকাশচিক বরাইক। ইস্তফার পর প্রকাশচিক বরাইক প্রকাশ্যে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা করেন। অন্যদিকে, সুস্মিতা দেব অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে বৈঠক করেন। পাশাপাশি, লোকসভায় তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের বৈঠকেও উপস্থিত থাকতে দেখা যায় সুখেন্দুশেখর রায়কে।
বর্তমান বিধানসভার সংখ্যার নিরিখে তিনটি রাজ্যসভা আসনেই বিজেপি মনোনীত প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা প্রবল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। বিধানসভায় বর্তমানে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ২০৮। কোনও বিজেপি প্রার্থীকে পরাজিত করতে বিরোধী শিবিরের প্রার্থীকে অন্তত ৭০টি ভোটের প্রয়োজন হবে। অন্যদিকে, তৃণমূলের সম্মিলিত শক্তি ৮০ বিধায়ক হলেও পরিষদীয় দল বর্তমানে বিভক্ত। দুই শিবির একজোট হয়ে প্রার্থী দিলে একটি আসন জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণে সেই সম্ভাবনা যথেষ্ট ক্ষীণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।
❤ Support Us







