Advertisement
  • দে । শ
  • আগস্ট ১৩, ২০২৬

উচ্চমাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোনোর আগেই কেন স্কুলছুট ৭৩ শতাংশ পড়ুয়া! দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ সংসদীয় কমিটির

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
উচ্চমাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোনোর আগেই কেন স্কুলছুট ৭৩ শতাংশ পড়ুয়া! দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ সংসদীয় কমিটির

প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে যত উপরের দিকে ওঠে শিক্ষার স্তরততই পাতলা হয়ে আসে পড়ুয়ার সারি। সরকারি স্কুলের সংখ্যাও পাল্লা দিয়ে কমতে থাকছে। উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পৌঁছনোর আগেই প্রায় ৭৩ শতাংশ পড়ুয়ার এমন হারিয়ে যাওয়া’ নিয়ে এ বার উদ্বেগ প্রকাশ করল সংসদীয় কমিটি। শুধু স্কুলের অভাব নয়নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে নতুন পাঠ্যক্রম চালু হলেও সে অনুযায়ী পাঠ্যবই এখনো সর্বত্র পৌঁছয়নি। তার সঙ্গে বোর্ড পরীক্ষায় নতুনপ্রয়োগভিত্তিক প্রশ্নের ধরন। ফলে দশম ও দ্বাদশের পড়ুয়াদের একাংশের মধ্যে তৈরি হচ্ছে চাপ আর বিভ্রান্তিএমনই পর্যবেক্ষণ কমিটির।

দেশে সুলভ ও গুণগত শিক্ষা দেওয়ার জন্য বাজেট ও নীতিগত দিককেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের পর্যালোচনা-সহ’ বিষয়ে অষ্টাদশ লোকসভার ২০২৬-২৭ সালের এস্টিমেটস কমিটির দশম রিপোর্ট বুধবার লোকসভায় পেশ হয়েছে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ‘ইউডিআইএসই’ তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি ওই রিপোর্টে দেশের স্কুলশিক্ষার পরিকাঠামোপড়ুয়ার সংখ্যাশিক্ষক প্রশিক্ষণবিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পড়ুয়াদের জন্য ব্যবস্থা, শিক্ষায় সরকারি ব্যয়ের মতো একাধিক বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

কমিটির দেওয়া পরিসংখ্যান বলছেদেশে সরকারি এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের সংখ্যা ১০,৯২,৬৭১। তার মধ্যে প্রাথমিক স্কুলই ৯,১১,০৩২টি। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির জন্য স্কুল রয়েছে ৪,১২,৮০৫টি। মাধ্যমিক স্তরে সেই সংখ্যা নেমে এসেছে ১,৬১,৮০৮-এ। আর উচ্চমাধ্যমিক স্তরে স্কুল মাত্র ৯০,৮৬৬টি। পড়ুয়ার সংখ্যাতেও ছবিটা একই। প্রাথমিক স্তরে পড়ুয়া ৬ কোটি ১৮ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৩ জন। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে তা কমে ৪ কোটি ৮ লক্ষ ৯৩ হাজার ৯৭৮। নবম-দশমে ২ কোটি ৩৬ লক্ষ ৬৮ হাজার ২২০। একাদশ-দ্বাদশে পৌঁছতে পৌঁছতে সে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৬৪ লক্ষ ১৭ হাজার ৯৪৯-এ।

উদ্বেগজনক এই পরিসংখ্যান সামনে রেখে সংসদীয় কমিটির বক্তব্যশিক্ষার স্তর যত উপরে উঠছেস্কুল  পড়ুয়ার সংখ্যা পাল্লা দিয়ে কমছে। তাদের মতে, দশ লাখের বেশি সরকারি স্কুলের বিপুল অংশই কেবল প্রাথমিক স্তর পর্যন্ত। উচ্চমাধ্যমিক শেষ করার আগেই প্রায় ৭৩ শতাংশ পড়ুয়ার পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি তাই যথেষ্ট উদ্বেগের। কী ভাবে এই প্রবণতা ঠেকানো যায়কমিটির পরামর্শনতুন স্কুল তৈরির পাশাপাশি যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলগুলি ইতিমধ্যেই রয়েছেসেগুলিকে পূর্ণাঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে উন্নীত করা হোক। প্রত্যন্ত বা পিছিয়ে থাকা এলাকার পড়ুয়াদের যাতে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পড়ার জন্য দূরে ছুটতে না হয়সে জন্য স্থানীয় স্তরেই স্কুলের পরিকাঠামো বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছে তারা। পাশাপাশি, শিক্ষা যেহেতু সংবিধানের যৌথ তালিকাভুক্ত বিষয় এবং অধিকাংশ স্কুল রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির আওতায়তাই রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে সমন্বয় করে মাধ্যমিক  উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রককে পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।

শুধু স্কুলের সংখ্যা নয়নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে রিপোর্টে। জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ এবং জাতীয় পাঠ্যক্রম কাঠামো ২০২৩-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ‘সিবিএসই’ নতুন পাঠ্যক্রম তৈরি করেছে। কিন্তু সেই নতুন পাঠ্যক্রমের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন পাঠ্যবই এখনো সর্বত্র পৌঁছয়নি। ফলে পরিস্থিতি এখন কিছুটা এরকম— শ্রেণিকক্ষে পড়ানো হচ্ছে নতুনউচ্চস্তরের  প্রয়োগভিত্তিক পাঠ্যক্রমঅথচ পড়ুয়ার হাতে অনেক ক্ষেত্রে রয়ে গিয়েছে পুরনো বই। তার উপর বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নের ধরনেও বদল এসেছে। মুখস্থনির্ভর প্রশ্নের বদলে গুরুত্ব বাড়ছে বিষয়কে বুঝে প্রয়োগ করার ক্ষমতার। কমিটির মতেনতুন পাঠ্যবই না পাওয়া এবং নতুন ধরনের প্রয়োগভিত্তিক বোর্ড পরীক্ষার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের উপর উল্লেখযোগ্য শিক্ষাগত চাপ ও বিভ্রান্তি’ তৈরি করছে। তাই বাকি থাকা নতুন পাঠ্যবই দ্রুত তৈরিছাপা এবং দেশের সর্বত্র পৌঁছে দেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রককে অবিলম্বে পদক্ষেপ করার সুপারিশ করা হয়েছে। নতুন পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষার ধরন অনুযায়ী শিক্ষকরা যাতে পড়াতে পারেনতার জন্য দেশজুড়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণের বিশেষ কর্মসূচির কথাও বলা হয়েছে।

‘সিবিএসই’-র শিক্ষক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার প্রশংসা করলেও অনলাইন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সংখ্যা কমে যাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে কমিটি। ‘সিবিএসই’-র নিয়ম অনুযায়ীশিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের প্রতি বছর অন্তত ৫০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নেওয়ার কথা। বিষয়জ্ঞানশিক্ষাদানের পদ্ধতিমূল্যবোধ ও নৈতিকতার মতো বিষয় রয়েছে এই প্রশিক্ষণে। গত পাঁচ বছরে অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে ১ কোটি ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের জন্য এ প্রশিক্ষণ বিনামূল্যে। কিন্তু ২০২২ সালে অনলাইন প্রশিক্ষণে যেখানে ৫৩ লক্ষেরও বেশি অংশগ্রহণকারী ছিলেন২০২৫ সালে সেই সংখ্যা কমে হয়েছে মাত্র ১ লক্ষ ৬২ হাজার ৮১৪। গ্রামীণ এবং আধা-শহরাঞ্চলের বেসরকারি স্কুলগুলির আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেছে কমিটি। তাদের অনেকের পক্ষেই শিক্ষকদের জন্য অর্থ ব্যয়ে ট্রেনিং করা কঠিন। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ধারাবাহিকতা বজায় রাখাপ্রতি বছর নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ-লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা এবং ফি-র কাঠামো পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করেছে কমিটি। বিশেষ করে আর্থিক ভাবে দুর্বল বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা যাতে অনলাইন প্রশিক্ষণের সুযোগ পানসে বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষায় দৃষ্টিহীন পড়ুয়াদের ফি থেকে ছাড় দেওয়া হলেও আর্থিক ভাবে দুর্বল বা সামাজিক ভাবে পিছিয়ে থাকা পড়ুয়াদের জন্য একই ধরনের নির্দিষ্ট আর্থিক ছাড় নেই। কমিটির বক্তব্যঅর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল ও সামাজিক ভাবে পিছিয়ে থাকা পড়ুয়াদের জন্য নির্দিষ্ট ফি ছাড় বা মকুবের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। শিক্ষার খরচের বোঝা কমানো গেলে তাঁদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগও বাড়বে। বোর্ড পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নেও আরও স্বচ্ছতা আনার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি। মানসম্মত এবং বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন পদ্ধতির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা সঙ্গম’-এর ডিজিটাল পরিকাঠামোও নিয়মিত আধুনিক করার সুপারিশ করা হয়েছে। শুধু বোর্ড পরীক্ষা নয়, ‘সিটেট’ এবং জওহর নবোদয় বিদ্যালয় নির্বাচন পরীক্ষার মতো জাতীয় স্তরের পরীক্ষাতেও যাতে নিরাপত্তা ও দক্ষতা বজায় থাকেসে জন্য ডিজিটাল ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার কথা বলা হয়েছে।

দেশের স্কুলগুলিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পড়ুয়াদের উপযোগী পরিকাঠামোর অভাব নিয়েও কড়া মন্তব্য করেছে সংসদীয় কমিটি। ২০২৪-২৫-এর তথ্য অনুযায়ীদেশের ১৪,৭১,৪৩৭টি স্কুলের মধ্যে মাত্র ৫,২৩,১৪৩টিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পড়ুয়াদের উপযোগী শৌচাগার রয়েছে। হাতল-সহ র‌্যাম্প রয়েছে ৮,০৮,৪৬৬টি স্কুলে। অর্থাৎ এখনো বিপুল সংখ্যক স্কুলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নেই। ২০২৪-২৫ সালে ১৮৬টি বিশেষ শৌচাগার তৈরির জন্য ৪৮২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। কিন্তু খরচ হয়েছে মাত্র ২.৬০ লক্ষ টাকা। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বাস্তবায়ন কার্যত নামমাত্র। বিশেষ শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও একই ছবি। প্রাথমিক স্তরে বিশেষ শিক্ষকদের জন্য ৯৬২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ থাকলেও খরচ হয়েছে মাত্র ৮০.৫০ লক্ষ টাকা। বিশেষ শিক্ষকদের নিয়োগ এবং তাঁদের ধরে রাখার ক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতা প্রকট বলে জানিয়েছে কমিটি। এ পরিস্থিতিতে প্রতি বছর অর্থ ব্যবহারের নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা স্থির করানির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিরাপদ ও সহজে ব্যবহারযোগ্য পরিকাঠামো তৈরি এবং দেশজুড়ে কত জন বিশেষ শিক্ষকের প্রয়োজনতার সমীক্ষা করার সুপারিশ করেছে তারা।

জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০-র অন্যতম লক্ষ্য ছিল দেশের ‘জিডিপি’-র ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে সরকারি ব্যয় করা। কিন্তু কেন্দ্র  রাজ্যগুলির মিলিত ব্যয় এখনো ‘জিডিপি’-র মাত্র ৪.১ শতাংশ। ‘এনইপি’-এর প্রথম পর্যায়ের শেষ বছরে এসেও এ ঘাটতি বজায় থাকায় প্রশ্ন তুলেছে কমিটি। ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে শিক্ষা মন্ত্রকের জন্য ১,৩৯,২৮৬ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। আগের বছরের তুলনায় তা ৮.২৭ শতাংশ বেশি। কিন্তু কমিটির মতেপরিকাঠামোশিক্ষার মান আর শিক্ষার ফলাফল উন্নত করার জন্য যে বিপুল অর্থের প্রয়োজনতার তুলনায় এ বরাদ্দ যথেষ্ট নয়। ব্যয়ের নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছতে কেন্দ্র ও রাজ্যদুই স্তরেই একটি আর্থিক রোডম্যাপ তৈরির সুপারিশ করেছে কমিটি। শিক্ষা বাজেটে প্রতি বছর অন্তত ১০ শতাংশ করে বৃদ্ধি নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি, দীর্ঘমেয়াদি পরিকাঠামোডিজিটাল ব্যবস্থা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার জন্য একটি বিশেষ নন-ল্যাপসেবল’ শিক্ষা তহবিল তৈরির কথাও বলা হয়েছে।

প্রসংগত, প্রাথমিক স্তরে পড়ালেখা  সংখ্যাজ্ঞান তৈরির লক্ষ্যে ২০২১ সালের জুলাইয়ে চালু হয়েছিল ‘নিপুণ ভারত’। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের মধ্যে তৃতীয় শ্রেণি শেষ করার আগেই প্রতিটি শিশুর প্রাথমিক সাক্ষরতা ও সংখ্যাজ্ঞান নিশ্চিত করাই এ প্রকল্পের লক্ষ্য। কিন্তু প্রকল্পের অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বড়সড় ঘাটতি ধরা পড়েছে কমিটির রিপোর্টে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ‘নিপুণ ভারত’-এর জন্য জাতীয় স্তরে ৩,০২,৯২৬.৮২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। খরচ হয়েছে ১,৮৪,৭০৭.৫৮ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ প্রায় ৩৯ শতাংশ অর্থই অব্যবহৃত থেকে গিয়েছে। অসমদিল্লিগোয়াগুজরাতকেরালা, লাক্ষাদ্বীপসিকিম, পাঞ্জাবরাজস্থানউত্তরপ্রদেশপশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু-সহ একাধিক রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অর্থ ব্যবহারের হার বিশেষ ভাবে কম বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। কমিটির বক্তব্যপ্রাথমিক সাক্ষরতা ও সংখ্যাজ্ঞানকে নয়া শিক্ষানীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি জাতীয় অগ্রাধিকার’ বলা হয়েছে। সে প্রকল্পেই বরাদ্দ অর্থের বড়ো অংশ অব্যবহৃত থেকে যাওয়া তাই অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কেন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হচ্ছেতার কারণ খতিয়ে দেখে প্রশাসনিক ও কাঠামোগত বাধাগুলি চিহ্নিত করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রককে নির্দেশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!